মোটরসাইকেলের ট্যাংকি হাতে ৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে তেল নিলেন যুবক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মানিকগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৭:০৭ পিএম, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

সজিবুর রহমান পেশায় একজন পল্লি চিকিৎসক। তার বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলায়। জেলা শহরে এসেছিলেন মোটরসাইকেলে তেল নেওয়ার জন্য। রাস্তায় তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় মোটরসাইকেলের ট্যাংকি খুলে হাতে নিয়ে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত মেসার্স এ সাত্তার অ্যান্ড সন্স (পদ্মা) পাম্পে এসেছেন তেল নিতে।

এসময় কথা হয় জাগো নিউজের সঙ্গে তিনি আক্ষেপ নিয়ে বলেন, বাড়ি থেকে এসেছিলাম তেল নিতে, রাস্তায় তেল শেষ হয়ে যায়। পরে ট্যাংকি খুলে হাতে নিয়ে গুড লাক ও রহমান পাম্পে গিয়ে তেল পেলাম না, এখানে এসে তেল নিলাম। চার-পাঁচ কিলোমিটার দূরে তেল শেষ হয়ে যায়, পরে ট্যাংকি খুলে হাতে নিয়ে এসেছি এত দূর তো আর গাড়ি নিয়ে আসা যাবে না। আমাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে, অনেক ভোগান্তির শিকার হচ্ছি।

জয়রা গ্রামের বাসিন্দা জুবায়ের রহমান জাগো নিউজকে বলেন, চাকরি করি মার্কেটিংয়ের মোটরসাইকেল ছাড়া কাজ করতে পারি না। তেল সংকটের কারণে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে তিন-চার ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর মাত্র তিনশ টাকার তেল দেয়। সরকারের উচিত সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো।

মোটরসাইকেলের ট্যাংকি হাতে ৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে তেল নিলেন যুবক

মো. সম্রাট হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, তীব্র গরমে লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর মাত্র তিনশ টাকার তেল দেয়। গরমে আমাদের অবস্থা খুব খারাপ। আল্লাহ জানে আমাদের এই ভোগান্তির শেষ কোথায়।

মেসার্স এ সাত্তার অ্যান্ড সন্স (পদ্মা) পাম্পের ম্যানেজার খোরশেদ আলম বলেন, আমাদের যে পরিমাণ চাহিদা, সেই অনুযায়ী তেল পাচ্ছি না। সরকার তিন-চার দিন পরপর একটি করে তেলের গাড়ি পাঠায়। কিন্তু প্রতিদিন হাজার হাজার মোটরসাইকেল তেল নিতে আসে। তাই সবার মধ্যে ভাগ করে দিতে আমরা ৩০০ টাকার সীমা নির্ধারণ করেছি।

মো. সজল আলী/এমএন/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।