ঝিনাইদহে আতঙ্কে মেস মালিকরা


প্রকাশিত: ০৬:৩৯ এএম, ১৮ জুলাই ২০১৬

ঝিনাইদহ শহরের বাড়ির মালিকরা পড়েছেন বেশ অস্বস্তিতে। সেই সঙ্গে তারা আতঙ্কগ্রস্থও। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন মেস বাসার মালিকরা। এরই মধ্যে কোনো কোনো ছাত্রাবাসের মালিক মেস উঠিয়ে ফ্যামিলি বাসা ভাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ঝিনাইদহের সোনালীপাড়ার এক ছাত্রাবাসের মালিক শরিফুল হাসান জানান, ছাত্রাবাস ভাড়া দেওয়ার মতো কোনো অবস্থা এখন আর নেই। গুলশানে হলি আর্টিসানে হামলাকারীদের একজন নিবরাস ইসলাম হামলার আগে ঝিনাইদহে ৪ মাস অবস্থান করেছিল। পরে জানা যায়, কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতে হামলাকারী আবিরও মাসখানেক ঝিনাইদহের সোনালীপাড়ার এক ছাত্রাবাসে ছিল।
তিনি বলেন, ‘আমি ছাত্রাবাসের সবাইকে বলেছি, আগামী মাস থেকে তারা যেন রুম ছেড়ে দেয়।’

সোনালীপাড়ায় অর্কিড ছাত্রাবাসের মালিক লিয়াকত হোসেন বলেন, ‘আমার মেসে তিনটি কক্ষে ১২ জন সদস্য থাকে। এদের সবাই বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তাদের আইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে মেসে সিট দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা যদি নকল কার্ড দেয় বা ভুল তথ্য দিয়ে অপরাধমূলক কাজ করে তাহলে আমাদের কী করার আছে?’

ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্রনাথ সরকার জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে মেসের মালিকদের জীবন বৃত্তান্ত, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, চাকরিজীবিদের আইডি কার্ডের ফটোকপিসহ যাবতীয় তথ্য থানায় জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দু’একদিনের মধ্যে আমরা সেগুলো হাতে পাব।

পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন জানান, এখন থেকে ঝিনাইদহে মেস ভাড়া দিতে হলে পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। কে থাকবে আর কে থাকবে না সেটা পুলিশ যাচাই বাছাই করে দেখবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহ শহর ও আশেপাশে প্রায় ২২০-২৫০টি টির মতো ছাত্রাবাস ও মেস আছে।

আহমেদ নাসিম আনসারী/এসএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।