মেয়ে থেকে ছেলে হয়ে গেলো মাদরাসা শিক্ষার্থী, পরিবার বলছে ‘আশীর্বাদ’
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক মাদরাসা ছাত্রী শারীরিক পরিবর্তনের মাধ্যমে মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত হয়েছেন। এতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে ওই কিশোরকে এক নজর দেখতে তার বাড়িতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন শত শত মানুষ।
উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের এক প্রবাসীর মেয়ে স্থানীয় একটি মাদরাসার মাওলানা বিভাগের শিক্ষার্থী।
স্থানীয়রা বলেন, বাস্তবে এমন ঘটনা দেখে তারা বিস্মিত। বর্তমানে এই ঘটনা পুরো জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, গত রমজান মাস থেকেই ওই ছাত্রী নিজের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তন অনুভব করতে শুরু করেন। বিষয়টি পরিবারকে জানালেও শুরুতে তারা তেমন গুরুত্ব দেননি। তবে গত বুধবার তার নানির নজরে বিষয়টি এলে পরিবারের সদস্যরা শারীরিক পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত হন।
ঘটনা নিশ্চিত হওয়ার পর পরিবার তাকে ছেলে হিসেবে গ্রহণ করে তার নতুন নাম রেখেছেন। তাকে ছেলেদের পোশাক কিনে দেওয়া হয়েছে এবং চুল কেটে ছেলেদের মতো সাজানোও হয়েছে।

ওই শিক্ষার্থীর চাচা বলেন, তাদের পরিবারে পরপর তিন মেয়ে সন্তান হওয়ার পর তার এই পরিবর্তনে সবাই খুশি। একে সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন তারা।
ওই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমার শরীরের সব গঠনই পরিবর্তন হয়েছে। আমার পরিবার আমাকে ছেলে হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সমাজের কাছে আমি ছেলে হিসেবে স্বীকৃতি চাই।’
এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফরিদুল ইসলাম জানান, এটি মূলত হরমোন এবং ক্রোমোজমগত পরিবর্তনের কারণে হতে পারে। বৈজ্ঞানিক ভাষায় একে অনেক সময় ‘সেক্স হরমোন’ এর ভারসাম্যহীনতার প্রভাব হিসেবে দেখা হয়।
আব্দুল্লাহ আল নোমান/এফএ/এএসএম