দিনাজপুরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৪ লাখ সাড়ে ২৬ হাজারের বেশি পশু

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর
প্রকাশিত: ১২:৫৫ পিএম, ১৮ মে ২০২৬

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশু নিয়ে জমে উঠতে শুরু করেছে দিনাজপুরের খামারগুলো। জেলার ১৩টি উপজেলায় এবার চাহিদার তুলনায় বেশি পশু প্রস্তুত করেছেন খামারিরা। জেলায় ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫২৩টি পশেু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া জেলার ৬৮টি হাটে এসব পশু বিক্রির লক্ষ্যে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।

জানা গেছে, জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনা ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৬১টি বেশি। তবে পশু উৎপাদনে খরচ ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় কোরবানির হাটে দাম নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে খামারি ও ক্রেতাদের মধ্যে।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানিয়েছে, জেলায় ষাঁড়, বলদ ও গাভী মিলে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৬টি গরু, ২৪৮টি মহিষ, ২ লাখ ৩৪ হাজার ৯৯০টি ছাগল, ১৩ হাজার ৭২৯টি ভেড়া ও দুম্বা ১১টি কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। জেলায় ৬২ হাজার ৪০৮ জন খামারিসহ বিভিন্ন বাসা বাড়িতে এই গরুগুলো লালন-পালন করা হয়েছে।

সদর উপজেলার খামারি মিলন জানান, গোখাদ্য, ওষুধ এবং শ্রমিকদের মজুরি গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে। এতে গত বছর যে গরুটি তৈরি করতে ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল, এ বছর সেই একই গরুর জন্য ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ফলে গরুর দাম নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুর রহিম জানান, এবার জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ অন্যান্য জেলায় পাঠানো হবে ১ লাখ ৩২ হাজার ২৬১টি পশু। এবার প্রায় ৬০০ কোটি টাকার পশু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, কোরবানির পশুর হাটগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মহাসড়কের পাশে হাট বসানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জেলায় ৬৮টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি উপজেলায় এ বিষয়ে প্রশাসনিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হাটগুলোতে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ৩৮টি মেডিকেল টিম কাজ করবে।

এমদাদুল হক মিলন/এনএইচআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।