৭ খুন মামলা : আরো ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ


প্রকাশিত: ০৯:১৬ এএম, ২৫ জুলাই ২০১৬
ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুনের দুটি মামলায় এক র‌্যাব কর্মকর্তাসহ চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আগামী ১ আগস্ট পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।

সোমবার সকাল পৌনে ১০টা হতে দুপুর পর্যন্ত ৭ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার নূর হোসেন, তারেক মুহাম্মদ সাঈদসহ ২৩ আসামির উপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে সাক্ষ্য ও জেরা করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, সোমবার র‌্যাব-১১ এর সাবেক পরিচালক এএসপি মোবারক হোসেন, নিহত সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারের মোবাইল যার কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছিল সেই ইয়াছিন ওরফে শিপন, যিনি মোবাইল উদ্ধারের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কামাল হোসেন, নদী থেকে বস্তা ও ইট বাধা লাশ উদ্ধারের প্রত্যক্ষদর্শী হেকিমের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এ পর্যন্ত ৭ খুনের দুই মামলায় ৯২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, সাত খুনের ঘটনায় দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের মেয়ের জামাতা বিজয় কুমার পাল ও অপর বাদী নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি। দুটি মামলাতেই অভিন্ন সাক্ষী হলো ১২৭ জন করে।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন।

পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের ও ১ মে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্ত শেষে প্রায় এক বছর পর গত ৮ এপ্রিল নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ৭ খুনের দুটি মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৩ জন কারাগারে আটক রয়েছেন। আর চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে এখনো ১২ জন পলাতক রয়েছে।

শাহাদাত হোসেন/এসএস/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।