তিস্তায় সর্বস্বান্ত দুই সহস্রাধিক পরিবারের উঁচুস্থানে আশ্রয়


প্রকাশিত: ০৩:২২ পিএম, ০১ আগস্ট ২০১৬

নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তার ভাঙনে সর্বস্বান্ত হয়ে দুই সহস্রাধিক পরিবার বাঁধসহ উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। এদিকে তিস্তার মূল অংশের বাইরে চরখড়িবাড়ী গ্রাম হয়ে নতুন একটি চ্যানেল তৈরি হয়েছে।

টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চরখড়িবাড়ী, মধ্য খড়িবাড়ী, পূর্ব খড়িবাড়ী, একতার বাজার, দীঘিরপাড়, টাবুর চরসহ ১০টি গ্রামের ২ হাজার ২৪০টি পরিবার বসবাস করলেও ইতোমধ্যে ১ হাজার ৬০০ পবিবারের বসতভিটা, আবাদি জমি, বিদ্যালয়, রাস্তাঘাট, পুল কালভার্ট বিলীন হয়েছে মর্মে ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।

খালিশা চাপানি ইউনিয়নের ইউনুছের চরের ২৩টি পরিবার বিলিন হয়ে বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। অপরদিকে ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ছাতুনামা ও ফরেস্টের চরের ৩৪৭টি পরিবার নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের কিসামত ছাতনাই গ্রামের ৩৫টি তিস্তা নদীতে বিলীন হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন নায়েমা তাবাচ্ছুম শাহ জাগো নিউজকে বলেন, তিস্তার বাঁধসহ উঁচু স্থানে ১ হাজার ৮৭৫টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতসহ সকল বিষয়ে সহযোগিতার জন্য ৭টি তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে।

নীলফামারীর জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, সরকারিভাবে ত্রাণের কোনো ঘাটতি নেই। সরকারের উচ্চ মহলে তিস্তা নদীতে চরখড়িবাড়ী থেকে টাবুর চর পর্যন্ত বাঁধ দেয়ার জন্য প্রস্তাবনা তৈরি করা হচ্ছে।

নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার জাগো নিউজকে বলেন, তিস্তার উজানে চরখড়িবাড়ীসহ ১০টি গ্রামকে রক্ষা করতে হলে বাঁধের বিকল্প নেই। পানিসম্পদ মন্ত্রী মহোদয়কে বাঁধ তৈরির জন্য ডিও লেটার দেয়া হয়েছে।

জাহেদুল ইসলাম/এমএএস/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।