সুন্দরবনে বন কর্মকর্তাদের সহায়তায় কাঠ পাচারের অভিযোগ
পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকায় বন্ধ হয়নি কাঠ পাচার। সুন্দরবন নিকটবর্তী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় চোঁখে পড়বে এমন কাঠ পাচারের দৃশ্য।
স্থানীয়দের অভিযোগ বন বিভাগ কর্মকর্তাদের যোগসাজসেই প্রতিনিয়ত কাঠ পাচার করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে মাঝে মাঝে বন বিভাগ ঝটিকা অভিযান চালিয়ে নামমাত্র কাঠ আটক করলেও পাচারকারীরা থেকে যায় পর্দার আড়ালে। ফলে উজাড় হচ্ছে সুন্দরবনের বৃক্ষ।
স্থানীয়রা জানায়, নৌকা প্রতি এক হাজার থেকে বারশ টাকা মাসোহারা দিয়ে বন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সুন্দরবনে কাঠ সংগ্রহের অনুমতি নিতে হয়।
সাতক্ষীরা সহকারী বন কর্মকর্তা (এসিএফ) শোয়েব খান জানান, ৪টি স্টেশন অফিস ও ১০টি টহল ফাঁড়িতে ১২০ জন বন রক্ষক দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। এই সীমিত সংখ্যক জনবল নিয়ে সঠিকভাবে কাজ করা দূরহ ব্যাপার।
তবে কাঠ পাচারের যোগসাজোশের কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, কাঠ পাচার রোধে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছে। ভবিষ্যতে অভিযান আরো জোরদার করা হবে।
আকরামুল ইসলাম/এফএ/এমএস