জোনিংয়ের মাধ্যমে জমির সঠিক ব্যবহার করা হবে : ভূমিমন্ত্রী


প্রকাশিত: ১১:০০ এএম, ১১ আগস্ট ২০১৬

ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেছেন, স্বাধীনতাকালীন সময়ে দেশে চাষি জমির পরিমাণ ছিল ৪৫ শতাংশ। কিন্তু স্বাধীনতার ৪২ বছরের মাথায় এসে এখন কৃষি জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ শতাংশে। এটি উদ্বেগজনক। তাই জোনিংয়ের মাধ্যমে দেশের ভূমিকে সঠিক ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজার বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলয়াতনে শুরু হওয়া দিনব্যাপী ভূমি জোনিং সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করে। প্রধানমন্ত্রী পুর্নবাসন না করে কাউকে উচ্ছেদ করবেন না। উপযুক্ত ক্ষতিপুরণ দিয়েই জমি অধিগ্রহণ করা হবে। বর্তমানে যে বাজার দরে জমি বিক্রি হচ্ছে তার ৩ গুণ ক্ষতিপুরণ পাবে জমির মালিকরা।

জমির খতিয়ান সৃজন, নাম জারি ও ভূমি সংক্রান্ত সকল বিষয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি রোধে ইতোমধ্যেই ভূমি সংক্রান্ত কার্যক্রম ডিজিটাল করা হচ্ছে। তা বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষকে আর দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) শংকর রঞ্জন সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। তাদের আবাসন সঙ্কট দূরীকরণে সেভাবেই কমে যাচ্ছে ভূমি। কিন্তু সময়োপযোগী আইনের অভাবে ভূমির অবাধ ব্যবহার রদ করা যাচ্ছে না। প্রাচীন আইনে ভূমির সঠিক সংস্কার অসম্ভব বলে উল্লে­খ করেন তিনি।   

জাতীয় ভূমি জোনিং প্রকল্পের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলা প্রশাসেনের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিস আয়োজিত বিভাগীয় ভূমি জোনিং সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান ও জাতীয় ভূমি জোনিং প্রকল্প পরিচালক মো. কফিল উদ্দিন।  

এতে চট্টগ্রাম বিভাগের সকল জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী ভূমি কমিশনারগণ উপস্থিত ছিলেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা সেমিনারে ভূমি জোনিং সংক্রান্ত নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
 
এর আগে বুধবার সকালে কক্সবাজার আসেন ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ। বিকালে হিলটপ সার্কিট হাউজে জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

সায়ীদ আলমগীর/এফএ/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।