শ্মশানে প্রবেশের রাস্তা না পাওয়ায় মরদেহ নিয়ে সড়ক অবরোধ
নীলফামারীর জলঢাকা পৌর এলাকায় শ্মশান ও কালিমন্দিরের রাস্তা দখল করে ঘর নির্মাণ করায় মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।
মঙ্গলবার বেলা ২টা থেকে মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভকারীরা ডালিয়া, জলঢাকা ও রংপুর সড়ক অবরোধ করে রাখেন। ফলে ওই পথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তাফা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদুল হক প্রধান ও জলঢাকা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমানের হস্তক্ষেপে আন্দোলনকারীরা বিকেল ৫টায় সড়ক অবরোধ তুলে নেন। এসময় নেতাদের সহায়তায় মরদেহ শ্মশানে নিয়ে দাহ করা হয়।
ওই শ্মশান ও কালিমন্দিরের সভাপতি বিমল চন্দ্র রায় অভিযোগ করে জানান, জলঢাকা পৌর এলাকার কেন্দ্রীয় মহা শ্মশান ও কালিমন্দিরে চলাচলের রাস্তাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের। ওই রাস্তার সঙ্গে জলঢাকার জিয়া চৌধুরী ও রফিকুল ইসলাম নামের দুই ব্যক্তির জমি রয়েছে। ওই দুই ব্যক্তি তাদের ব্যক্তিগত জমিসহ শ্মশানে যাওয়ার রাস্তাও দখল করে সেখানে ঘর তুলে বাধার সৃষ্টি করে।
এদিকে সোমবার রাতে জলঢাকার মুদিপাড়ার হোটেল শ্রমিকদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিনয় কুমার রায় (৭৫) বার্ধক্যজনিত কারণে পরলোকগমন করেন। তার মরদেহ দাহ করার জন্য মঙ্গলবার দুপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ওই শ্মশানে প্রবেশের পথ না পাওয়ায় তারা বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হন।
জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদুল হক প্রধান জাগো নিউজকে জানান, ঘটনাটি মর্মান্তিক। ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও থানা পুলিশের ওসিসহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এসময় তিনি অচীরেই শ্মশান ও কালিমন্দিরের চলাচলের জন্য জমি অধিগ্রহণ করে পথ তৈরির আশ্বাস দেন।
জাহেদুল ইসলাম/এফএ/এবিএস