কিশোরীকে অপহরণ দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন


প্রকাশিত: ১০:৪৯ এএম, ৩০ আগস্ট ২০১৬

বরগুনায় কিশোরীকে অপহরণ ও এরসঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে প্রধান আসামি রবিউল ইসলাম মামুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে এক স্কুল শিক্ষিকাসহ অপর তিনজনকে ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জুলফিকার আলী এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে বরগুনার কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা মো. আবদুর রবের ছেলে মো. রবিউল ইসলাম মামুনকে (২৮) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ২০০৩ এর সাত ধারায় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ৯ এর এক ধারায় জাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

একই সঙ্গে মামুনের বড় বোন ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ইরানি বেগম (৩৩) ও তার স্বামী চরকলোনী এলাকার বাসিন্দা মো. খবিরের ছেলে মো. বাদল (৩৭) এবং মামুনের বন্ধু পিটিআই রোডের বাসিন্দা মো. কালামের ছেলে মো. রুবেলকে (২৮) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০৩ এর সাত ও ত্রিশ ধারায় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৭ মে বরগুনার ডিকেপি রোডের বাসা থেকে এক কিশোরীকে তার মা অসুস্থ বলে অপহরণ করে নিয়ে যায় মামুন ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় অপহৃত কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে বরগুনা থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনার তিনমাস পরে ঢাকার পল্লবীর একটি বাসা থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এর স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (এসপিপি) অ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল জানান, সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এ মামলার রায় দেয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতেও এ রায় অপরিবর্তীত থাকবে বলে তিনি জানান।

মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. আবদুল আজীজ জানান, সঠিক সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায় বিচারের জন্য তার মক্কেলগণ উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

সাইফুল ইসলাম মিরাজ/এফএ/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।