আমাদের শহর আমাদেরই পরিষ্কার রাখতে হবে
পবিত্র ঈদুল আজহার পশু কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে নিজেই ঝাড়ু হাতে নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া। তিনি বলেন, এ কাজগুলো আমাদেরই করতে হবে। আমাদের শহর আমাদেরকেই পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আমাদের শহর আমারদেরকে বাসযোগ্য রাখতে হবে। সেটিই জেলা প্রশাসক হিসেবে আমার নারায়ণগঞ্জবাসীর কাছে প্রত্যাশা।
বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শহরের চাষাঢ়া শহীদ জিয়া হলের সমানে থেকে ওই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অভিযান শুরু করা হয়। এসময় জেলা প্রশাসক কোরবানির পশুর উচ্ছ্বিষ্ট পরিষ্কার করার পাশাপাশি ব্লিচিং পাইডার ছিটিয়ে দেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, সরকার নির্দেশনা দিয়েছে নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি ও বর্জ্যসহ ময়লা পরিষ্কারের জন্য। এতে করে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। আমি জেলা প্রশাসক হয়েও আমার পশুটি বৃষ্টির মধ্যেই নির্দিষ্ট স্থানে জবাই করেছি। তবে আগামী বছর আমরা যখন পশু কোরবানির জন্য জায়গাগুলো নির্ধারণ করবো সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই মাথায় রাখবো যাতে বৃষ্টি হলেও নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি দেয়া যায়।
রাব্বী মিয়া বলেন, মঙ্গলবার আমি সরেজমিনে দেখেছি যেসব জায়গায় চামড়া আসছিল। যারা চামড়া কেনাবেচা করছিলেন তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। এবার চামড়া ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ঝামেলা হয়নি। ক্রেতারা নির্ধারিত দামে ও যথাস্থানে পৌঁছাতে পেরেছেন।
জেলা প্রশাসকের মতো ঝাড়ু হাতে রাস্তা পরিষ্কার করতে এগিয়ে আসেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহীন আরা বেগম ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গাউছুল আজমসহ জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট ও কর্মকর্তারা।
শাহাদাত হোসেন আকাশ/বিএ/পিআর