নাট্যকার চঞ্চল হত্যা মামলা সিআইডিতে


প্রকাশিত: ১২:৪৮ পিএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬

নারায়ণগঞ্জের তরুণ নাট্যকার দিদারুল ইসলাম চঞ্চল হত্যা মামলা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অশোক কুমার দত্ত এই আদেশ দেন। নিহত চঞ্চলের মা খালেদা আক্তার রুবিনার নারাজি পিটিশন আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি পুনরায় তদন্ত করে সিআইডিকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত।

এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন দায়ের করেছিলেন বাদী আক্তার রুবিনা।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. শাহ আলম কবির জানান, তরুণ নাট্যকার দিদারুল ইসলাম চঞ্চল হত্যা মামলার চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলাটি পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ঢাকার মালিবাগ সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
 
পিটিশনে বাদী উল্লেখ্য করেন, গত ২০১২ সালের ১৯ জুলাই বন্দর থানা পুলিশের এসআই গোলজার হোসেন দিদারুল ইসলাম চঞ্চল নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। কিন্তু নিহতের মা সন্দেহভাজনদের নাম বলা সত্ত্বে তাদের গ্রেফতার করেনি এবং জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। পরে একই বছর ১৪ আগস্ট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কাজী মেহেদী হাসান রুহিত, রাসেদ, রাকিব, শফিউল্লাহ শফি ও মিম প্রধানকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পরে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে তদন্তের নির্দেশ দেন। কিন্তু মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শুধুমাত্র রাকিব ও মিম প্রধানকে গ্রেফতার করলেও বাকি আসামিদের গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। এমনকি কোন স্থানে, কে ভিকটিম চঞ্চলকে ছুরি দ্বারা আঘাত করে হত্যা করেছে তাও চার্জশিটে উল্লেখ্য করা হয়নি।

নিহতের ভাই জুবায়েদ ইসলাম পামেল তার ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারা জবানবন্দি প্রদানকালে আফরিনের নাম বলেন এবং আফরিন চঞ্চলের বিপদ সম্পর্কে জ্ঞাত ছিল জবানবন্দিতে জানান। কিন্তু আফরিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। এছাড়াও চার্জশিটে বিভিন্ন বিষয় ত্রুটিপূর্ণ রয়েছে।
 
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৯ অক্টোরব নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর নাট্যকার দিদারুল ইসলাম চঞ্চল হত্যা মামলায় পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলো, চঞ্চলের বন্ধু মেহেদি হাসান রুহিত, মীম প্রধান, রাকিব, রাশেদ এবং শফিক।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই আবুল হাশেম ওই চার্জশিট দাখিল করেছিলেন। ২০১২ সালের ১৬ জুলাই গভীর রাতে বাসা থেকে বের হয় চঞ্চল। পরের দিন শীতলক্ষ্যা নদী থেকে চঞ্চলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
 
শাহাদাত হোসেন/এআরএ/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।