শেরপুরে পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার


প্রকাশিত: ০৫:২১ এএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬

শেরপুর শহরের পূর্বশেরী মহল্লার বাটারাঘাট এলাকা থেকে সোমবার সকালে রাকিবুল হাসান রাকিব (২০) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত রাকিবুল হাসান রাকিব শেরপুর পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার শৈলকুরিয়া গ্রামের মো. শাজাহান মিয়ার ছেলে।

সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মরদেহের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত এবং এসিডে ঝলসানোর চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ খুনের ঘটনায় ঘটনাস্থলের পাশের মিনু বেগম নামে এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তাকে আটক করা হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
 
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ৭ টার দিকে পুলিশ লাইন সংলগ্ন পূর্বশরী মহল্লায় রাস্তার পাশে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে মরদেহটি দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী শেরপুর সদর থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে, এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ লাইন সংলগ্ন মিনু বেগম ওরফে ‘নীলার মা’ নামে এক নারীর বাসা ঘেরাও করে তল্লাসি চালায় পুলিশ। তবে সেসময় ওই বাসায় কাউকেই পাওয়া যায়নি। পরে শহর থেকে মিনু বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সালাহউদ্দিন শিকদার জানান, পুলিশ লাইনের কনস্টেবল রাকিবুল হাসানের রোববার রাত দুইটা থেকে লাইনে নাইট ডিউটি ছিলো। কিন্তু রাত বারোটা থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। সোমবার সকাল সাতটার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, প্রায় ১১ মাস আগে পুলিশে ভর্তি হয়ে শেরপুর পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলো নিহত কনস্টেবল রাকিবুল। মরদেহের সুরতহাল তৈরি ও বিভিন্ন ধরনের আলামত জব্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কী কারণে, কেনো সে খুন হলো বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

হাকিম বাবুল/এসএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।