টুম্পা হত্যার ঘটনায় মামলা


প্রকাশিত: ০১:৩৭ পিএম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ি এলাকার গৃহবধূ নুশরাত জাহান টুম্পা (৩০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজাধানী উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত গৃহবধূ টুম্পার বাবা মো. নজরুর ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় নিহত টুম্পার স্বামী সোলায়মান, তার বাবা নুরুল ইসলাম, মা সাহেরা, ভাই সাদেক, প্রেমিকা বুবলি ও গাড়ি চালক আমিরুলকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম-সেলিনা দম্পতির একমাত্র মেয়ে টুম্পা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে গাজীপুরের কোনাবাড়ি এলাকার সাধারণ মানুষ।

টুম্পার নামাজে জানাযার আগে কোনাবাড়ির হাজারো শিশু-নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল শ্রেণী পেশার মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা টুম্পা হত্যাকারী স্বামী কাউন্সিলর সোলায়মান মিয়ার গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। বৃহস্পতিবার কোনাবাড়িতে ফের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক একেএম শফিউজ্জামান ওই গৃহবধু টুম্পার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন। ময়নাতদন্ত শেষে ঢামেক ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আ খ ম শফিউজ্জামান (খায়ের) সাংবাদিকদের বলেন, টুম্পাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার ‘হাইবেজনাল সফট’ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে তিন সদস্যের বোর্ড গঠন করে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। বোর্ডের বাকি দুই সদস্য হলেন, সিনিয়র প্রভাষক ডা. মমতাজ আরা ও প্রভাষক ডা. কবীর সোহেল।

সুরতহাল রিপোর্টে পুলিশ উল্লেখ করে, টুম্পার ডান কান, থুতনির নিচে এবং হাতের বিভিন্ন জায়গায় গোল লালচে দাগ পাওয়া গেছে।

এর আগে গত সোমবার রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

আমিনুল ইসলাম/এআরএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।