মা ইলিশ রক্ষার কারণেই এবার বেশি ইলিশ


প্রকাশিত: ০৫:৫৩ এএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬

অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে সাগর ও নদীতে অনেক ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। আর এতেই খুশি উপকূলীয় জেলে ও ইলিশের ক্রেতারা। অতীতের বছরগুলোতে সেপ্টেম্বর মাসে ধরা পড়া ইলিশের পরিমাণ এত ছিল না। গতবছর বহুগুণে মা ইলিশ রক্ষা পাওয়ার কারণেই এখন ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছে মৎস্য বিভাগ।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে প্রতি বছর ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার। মূলত এ সময়ে মা ইলিশ গভীর সাগর থেকে উপকূলের কাছাকাছি ও নদ-নদীতে এসে ডিম ছাড়ে।

কিন্তু অতীতের বছরগুলোতে প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে অসাধু জেলেরা ডিম ছাড়তে আসা মা ইলিশ শিকার করত। তবে গতবছর প্রশাসন এবং মৎস্য বিভাগের সক্রিয় তৎপরতার কারণে মা ইলিশ শিকারে ব্যর্থ হয়েছে অসাধু এসব জেলেরা।

barguna-ilish-

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. ওয়াহেদুজ্জামান জাগো নিউজকে জানান, সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে ইলিশের উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধি করা সম্ভব। গতবছর সকলের প্রচেষ্টায় অন্য বছরের চেয়ে বহুগুণে মা ইলিশ রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলেই বর্তমানে নদী ও সাগরে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে।

আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত আবারো প্রজনন মৌসুমে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে সরকার। এসময় মা ইলিম রক্ষার জন্য সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।

এবিষয়ে বরগুনার জেলা প্রশাসক ড. মো. বশিরুল আলম জাগো নিউজকে জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় গতবছর জেলায় সফলভাবে মা ইলিশ নিধন রোধ করতে সম্ভব হয়েছেন তারা। নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন সার্বক্ষণিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাসহ পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের লোকজন ব্যস্ত ছিল মা ইলিশ রক্ষার কাজে। এবছরও প্রজনন মৌসুমে ইলিশ রক্ষার জন্য যে যে পদক্ষেপ করা দরকার তা সবই গ্রহণ করা হবে।

এফএ/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।