অবশেষে নির্মাণ হচ্ছে সেতুটি


প্রকাশিত: ১২:৫৮ পিএম, ২৫ অক্টোবর ২০১৬

অবশেষে হরিধনমগপাড়াসহ পাঁচ পাহাড়ি গ্রামে যাওয়ার রাস্তার ছড়ার উপর সেতু নির্মাণ হচ্ছে। সেতুটি নির্মাণের মধ্য দিয়ে পাল্টে যাবে হরিধনমগপাড়া সহ পাঁচ পাহাড়ি গ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনগণের জীবনযাত্রা। ভোগান্তিতে পড়তে হবে না স্কুলগামী শিক্ষার্থী কিংবা হাটবাজারগামী মানুষের।

গত ১৫ মে জাগো নিউজে ‘একটি সেতু পাল্টে দিতে পারে ৫ পাহাড়ি গ্রামের জীবনযাত্রা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পাঁচ মাসের মাথায় পার্বত্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙার বেলছড়ি ইউনিয়নে হরিধনমগ পাড়াসহ পাঁচ গ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আলী মিয়ার দোকানের সামনে ছড়ার উপর স্বপ্নের সেতু নির্মিত হতে যাচ্ছে।

হরিধনমগ পাড়া যাওয়ার রাস্তায় সেতুটি নির্মাণের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  বি এম মশিউর রহমান।

তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে সেতুটি নির্মিত হচ্ছে। ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর’ সেতুটির নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করবে।

ইতোমধ্যে কাজটির সিডিউল বিক্রি শুরু হয়েছে জানিয়ে বি এম মশিউর রহমান বলেন, আশা করা হচ্ছে আগামী মাসের মধ্যেই কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

এদিকে সেতুটি নির্মাণের খবরে মাটিরাঙা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক বলেন, সেতুটি নির্মাণের মধ্য দিয়ে এ অঞ্চলের পাঁচ গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির বাস্তবায়ন হলো। সেতুটি নির্মাণ কাজ শেষ হলে জনবিচ্ছিন্ন হরিধনমগপাড়াসহ পাঁচ পাহাড়ি গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের লাঘব হবে।

হরিধনমগপাড়ার বাসিন্দা পাউলা মারমা বলেন, নিজেদের স্বেচ্ছশ্রমে রাস্তা নির্মাণের পর সেতু নির্মাণের খবর আমাদের জন্য আনন্দের। সেতু নির্মিত হলে আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের বাস্তবায়ন হবে। আমাদের কষ্টের দিন শেষ হবে।

মাটিরাঙার বেলছড়ি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. আহসান উল্যাহ জাগো নিউজকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ প্রকাশের কারণে কর্তৃপক্ষের চোখের অন্তরালে থাকা সমস্যাটি সামনে উঠে আসে। সেতুটি নির্মাণ হলে এই জনপদের মানুষ সত্যিই উপকৃত হবে।

মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এএম/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।