১০ টাকা কেজির চালের পরিবর্তে পচা চাল বিক্রি
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিক্রির জন্য নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সরবরাহকৃত ভালো মানের চাল উত্তোলনের পর তা পরিবর্তন করে নিম্নমানের পচা চাল বিক্রি করা হয়েছে। এ সময় দুই ডিলারের চাল বিক্রি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার উপজেলার ঝুনাগাছ চাঁপানী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। নিম্নমানের চাল বিক্রির অপরাধে ওই দুই ডিলারের গুদামে সিলগালা করেছে প্রশাসন।
কার্ডধারীরা জানায়, তারা গত সেপ্টেম্বর মাসের চাল পায়নি। চলতি অক্টোবর মাসের কার্ডের ১০ টাকা কেজি দরের চাল দেয়া হচ্চিল।
ভুক্তভোগীরা জানায়, ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের (ইউনিয়ন ফেয়ার প্রাইজ ) শুক্রবার সকাল থেকে দুই ডিলারের ৫৪৪ জন করে মোট ১০৮৮ জনের মাঝে চাল বিক্রি করছিলেন। ওই ইউনিয়নের চাঁপানীহাট বাজারে ডিলার ছামিনুর রহমান ও চাপানীহাট চত্বরের আতাউর রহমান এসব পচা চাল বিক্রি করছিলেন।
এ ঘটনায় কার্ডধারীরা প্রতিবাদী হয়ে উঠলে চাঁপানী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বিষয়টি ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান। পরে নির্বাহী কর্মকর্তা চাল বিক্রি বন্ধ রাখেন। 
পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন চন্দ্র রায় ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোফাচ্ছেল হোসেন ঘটনাস্থলে আসেন। কার্ডধারীদের অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ডিলার ছামিনুর রহমানের ৫০ কেজি ওজনের ২৪৮ বস্তা ও আতাউর রহমানের ৫০ কেজি ওজনের ২৩১ বস্তা চাল তাদের নিজ নিজ গোডাউনে সিলগালা করে রাখা হয়।
ডিমলা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা তফিউজ্জাম জুয়েল সাংবাদিকদের বলেন, ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নে দুইজন ডিলারের আটককৃত চাল সরকারি খাদ্য গুদামের নয়।
ডিমলা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোফাচ্ছেল হোসেন বলেন, জব্দকৃত চালগুলো নিম্নমানের হওয়ার বিতরণ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
ডিমলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন চন্দ্র রায় বলেন, নিম্নমানের চাল বিক্রির অভিযোগে দুইজন ডিলারের গোডাউন ঘর সিলগালা করা হয়েছে।
জাহেদুল ইসলাম/এএম/এমএস