ফতুল্লায় দুই পক্ষে সংঘর্ষ-ভাঙচুর, আহত ৮
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশিপুর নমপাড়া এলাকায় বাড়ির সীমানা নিয়ে প্রতিবেশী দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রতিপক্ষের নিরীহ যদু মন্ডলের বাড়িতে ছাত্রলীগের লোকজন হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাতেই দুই পক্ষ ফতুল্লা মডেল থানায় পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। তারা হলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা চঞ্চল, যদু মন্ডল, তার ছেলে লোকনাথ, রিনা, বিনা, শিখাসহ আরো কয়েকজন। তাদের শহরের ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
আহত লোকনাথ জানান, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাফায়াত আলম সানীর প্রভাব খাটিয়ে চঞ্চল তার বাড়ির উপর দিয়ে জোর করে ইচ্ছেমতো রাস্তা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করে আসছিল। এতে বাধা দিলে ছাত্রলীগের লোকজন নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা আমাকেসহ বাড়ির নারী-পুরুষ যাকে যেখানে পেয়েছে মারধর করে রক্তাক্ত করেছে। এছাড়া ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।
জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাফায়াত আলম সানী জানান, চঞ্চল আমার বন্ধু। সে একসময় ছাত্রলীগ করতো। এখন একটি ব্যাংকে চাকরি করে। তার পুরো পরিবার শিক্ষিত। যাদের সঙ্গে সংর্ঘষ হয়েছে তারা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় চঞ্চলের উপর হামলা চালিয়ে তার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে এবং ডান হাত ভেঙে ফেলেছে। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হযেছে। এরপর নিজেদের ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে চঞ্চলকে দোষারোপ করছে। বিষয়টি থানায় লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি কামাল উদ্দিন জানান, দুই পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মো. শাহাদাত হোসেন/বিএ