ঝালকাঠিতে স্বর্ণ ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের ধর্মঘট পালন
ঝালকাঠিতে ২১ নভেম্বর সন্ধ্যায় বোমা ফাটিয়ে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে বিচার ও লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন ও দিনব্যাপী ধর্মঘট পালন করেছে স্বর্ণ ব্যবসায়ী-কর্মচারীরা।
রোববার সকাল ৬টা থেকে শহরের ডাক্তারপট্টি সড়কে শতাধিক সোনার দোকান বন্ধ করে ধর্মঘট শুরু করে জুয়েলারি মালিক সমিতি জেলা শাখা।
বেলা ১১টার দিকে ডাক্তারপট্টি সড়কে মানববন্ধন করে স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা। ঘণ্টাব্যাপী মানবন্ধন কর্মসূচি চলাকালে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা ডাকাতির লুট হওয়া বাকি ৭৪ ভরি সোনার গহনা উদ্ধার ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ঝালকাঠি জেলা জুয়েলার্স সমিতির সভাপতি দেবব্রত কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক দিপক কর্মকার, যুগ্ম-সম্পাদক ইউসুফ আলী, ক্ষতিগ্রস্ত মুসলিম গিণি হাউজের মালিক মো. শাহজাহান হাওলাদার।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার ১৩ দিন পার হলেও বাকি ৭৪ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ অবস্থায় ঝালকাঠির স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা নিরাপদ নয়। ডাকাতির এ ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় একটি শক্তিশালী চক্র জড়িত থাকতে পারে বলেও ধারণা করছেন জুয়েলার্স সমিতির নেতৃবৃন্দ।
তারা অভিযোগ করে আরো বলেন, ২২ নভেম্বর পরিত্যক্ত অবস্থায় ডাকাতদের ব্যবহৃত একটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়। আমরা ওই মোবাইলের কললিস্ট ট্রাকিং করার অনুরোধ জানালে এখনও তার কোন কার্যকরী পদক্ষেপ দেখছি না। প্রতিদিন সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে গিয়ে আপডেট জানতে চাইলে ক্ষুব্দ কণ্ঠে তিনি আমাদের জানান মিনিটে মিনিটে আপডেট হয় না। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিয়ে আমরা হতাশ।
প্রসঙ্গত, গত ২১ নভেম্বর রাতে শহরের ডাক্তারপট্টি সড়কের মুসলিম গিনি হাউজে ঢুকে ৮ থেকে ১০ জন সশস্ত্র ডাকাত দল বোমা ফাটিয়ে ১১৪ ভরি স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাবখান সেতুর টোলঘর এলাকা থেকে ৬ জনকে আটক করে ৪০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করে পুলিশ।
মো. আতিকুর রহমান/এএম/পিআর