মাঠের ফসল কুড়িয়ে বেঁচে আছেন ছায়েম আলী


প্রকাশিত: ০৩:৫০ এএম, ১৫ জানুয়ারি ২০১৭

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা গ্রামের ছায়েম আলী জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। মাঠে শক্ত কাজ করতে পারেন না। সেজন্য কামলা খাটার সুযোগও নেই। মাঠের ফসল কুড়িয়ে জীবীকা নির্বাহ করেন ছায়েম আলী।

বাবা-মা বেঁচে থাকাকালীন তাদের সঙ্গেই ছিলেন। বাবা মাহাতাব হোসেন সরদার ও মা আনোয়ারা খাতুন মারা গেছেন বহু আগে।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কাজের চাহিদাও কমে আসছে। গ্রামের মানুষ তাকে মেছের বলে ডাকেন। পৈত্রিক পেশা পালকী টানা। অন্যান্য ভাইয়েরা মাঠে কামলা খাটেন। কেউবা ভ্যান চালান। কিন্তু ছায়েম আলীর বেঁচে থাকার কোনো পথ নেই।

মাুনষের কাছে চেয়ে চিন্তে খেয়ে আর অনুগ্রহে বেঁচে আছেন। প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে বিয়ে হয়নি। দুবেলা ভাত রান্না করে দেন ভাবি ও ভাতিজার স্ত্রীরা।

ছায়েম আলী বহুবার এলাকার মেম্বারের দারস্থ হয়েছেন। কিন্তু খুটোর জোর না থাকায় কেউ তাকে প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেননি। তিনি জেলা প্রশাসক ও সমাজসেবার মহানুভব ব্যক্তিদের কাছে একটি প্রতিবন্ধী কার্ডের আবেদন রেখেছেন।

আহমেদ নাসিম আনসারী/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।