খিলি পান বিক্রি করে মাসে অর্ধলক্ষাধিক টাকা আয়


প্রকাশিত: ০৯:২৪ এএম, ২১ জানুয়ারি ২০১৭

একেকটি খিলি পান বিক্রি হয় ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। একই স্থানে দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ খিলি পানের ব্যবসা করছেন সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা বাজারের পরিচিত মুখ পান বিক্রেতা ইদ্রিস আলী।

এতে একদিকে যেমন তিনি স্বাবলম্বী হয়েছেন অন্যদিকে পান বিক্রি করে তার ভাগ্যবদল হয়েছে। প্রতি মাসে এখান থেকেই ৬০-৭০ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে তার।

ইদ্রিস আলীর পানের দোকানে গিয়ে দেখা যায়, তিনি হরেক রকম জর্দ্দা ও মসলা দিয়ে বিভিন্ন স্বাদের পান তৈরি করেন। বাহারি এ পান খেতে দূরদূরান্ত থেকে লোক আসে ইদ্রিস আলীর দোকানে।

PAN

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পান বিক্রি করেই স্বাবলম্বী হয়েছেন ইদ্রিস আলী। সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা বাজারে সকলের পরিচিত মুখ ইদ্রিস। শুধু পাটকেলঘাটা নয় বিভিন্ন এলাকার মানুষরা সখের বসে পান খেতে আসেন বাজারের পাঁচরাস্তা মোড়ের এ দোকানে। ইদ্রিস আলী প্রতিটি মিষ্টি পানের মূল্য ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত নেন।

মিষ্টি পান ক্রেতা সাতক্ষীরা সদরের কদমতলা এলাকার সাদিকুর রহমান বলেন, আমি সাধারণত পান খাই না। তবে যখন কোনো প্রয়োজনে এদিকে আসি তখন ইদ্রিসের এ মিষ্টি পান খেতে আমি ভুল করি না। ৫ টাকা করের দুইটা পান কিনেছি খাওয়ার জন্য।

PAN

অপর ক্রেতা স্থানীয় সিরাজুল ইসলাম। তিনি জানান, এ দোকানে সব সময় ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। শনিবার দুপুরে পাটকেলঘাটা বাজার এলাকা যখন প্রায় জনশূন্য তখনও দেখা যায় ইদ্রিসের পানের দোকানে অনেক ভিড়। পুরোদমে চলতে তার পান বিক্রি।

পান বিক্রি করে স্বাবলম্বী হওয়া ইদ্রিস আলীর সঙ্গে জাগো নিউজের এ প্রতিবেদকের কথা হয়। প্রতিবেদককে তিনি বলেন, প্রতিদিন ১৫-১৬ হাজার টাকার পান বেচাকেনা হয়। ১০ বছর ধরে পান বিক্রি করছি। এর বাইরে অন্যকিছু করি না। আগে বাবা নজরুল ইসলাম দোকানটি চালাতেন। এখন আমি চালাই। প্রতি মাসে এখান থেকেই ৬০-৭০ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে। এ দিয়ে খুব ভালোভাবে আমার সংসার চলে। পান বিক্রি করে কিছু অর্থ সম্পদও কিনেছি। আমার কোনো অভাব নেই। অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো আছি আমি।   

আকরামুল ইসলাম/এএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।