গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ, পরিবারের দাবি হত্যা


প্রকাশিত: ১২:৪৯ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদহে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা শেষে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌর এলাকার হাবিবপুর গরুর হাটের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী শৈলকুপা ফায়ার সার্ভিসে কর্মরত সাজেদুর রহমান ফেলু পলাতক রয়েছেন।

জানা যায়, সারুটিয়া ইউনিয়নের পাথরবাড়ীয়া গ্রামের খয়বর মাতব্বরের ছেলে সাজেদুর রহমান ফেলুর ঘরে প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয়বার একই গ্রামের জাহিদুল ইসলামের মেয়ে শারমিন আক্তার ইভাকে বিয়ে করেন।

দ্বিতীয় স্ত্রী ইভাকে নিয়ে তিনি শৈলকুপা ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন হাবিবপুর গরু হাটের পেছনে নদীর চরে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সাজেদুর রহমান ফেলু শৈলকুপা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে কর্মরত রয়েছেন।

পরিবারের অভিযোগ, ইতোপূর্বে ইভার অন্যত্র বিয়ে হলেও ফেলু ফুসলিয়ে তার সংসার বিচ্ছিন্ন করে তাকে বিয়ে করে। এরপর মাঝে মধ্যেই দ্বিতীয় স্ত্রী ইভার সঙ্গে পারিবারিক কলহের জের ধরে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হলে ফেলু তাকে মারধর করতো।

নিহতের বাবা জাহিদুল ইসলাম, ভাই সোহানুর রহমান, মফিজুল ইসলাম ও মামা মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, বৃৃহস্পতিবার বিকেলে ফেলু তার দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন আক্তার ইভাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা শেষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মরদেহ ঘরের মধ্যে ঝুলিয়ে রাখে।

এদিকে ঘটনার পর থেকে নিহতের অভিযুক্ত স্বামী সাজেদুর রহমান ফেলু কর্মস্থল ফেলে পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।

শৈলকুপা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে জানা যাবে এটি পরিকল্পিত হত্যা না আত্মহত্যা।

আহমেদ নাসিম আনসারী/এএম/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।