সাগর থেকে ৮ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমার নৌ-বাহিনী


প্রকাশিত: ০৬:৪১ পিএম, ০৯ মার্চ ২০১৭
ফাইল ছবি

বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমার সেন্টমার্টিনের কাছাকাছি এলাকা থেকে আট জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের নৌ-বাহিনী। এ সময় মাছ শিকাররত ওই জেলেদের ফিশিং ট্রলারটি সাগরে ডুবিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকের বঙ্গোপসাগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী জেলেরা জানান, বঙ্গোপসাগরের ওই এলাকায় কয়েকটি ফিশিং ট্রলার সাগরে মাছ শিকারকালে হঠাৎ করে মিয়ানমার নৌ-বাহিনীর একটি জাহাজ এসে ধাওয়া করে। অন্য ট্রলারগুলো পালিয়ে গেলেও টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ মাঝের পাড়া এলাকার আবুল হোসেন মাঝির মালিকানাধীন ট্রলারটি ধাক্কা দিয়ে ডুবিয়ে দেয় ধাওয়াকারীরা। এ সময় ফিশিং ট্রলারে থাকা আট জেলেকে তুলে নিয়ে যায় তারা।

অপহৃত জেলেরা হলেন- টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ বাজারপাড়া এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে আব্দু রশিদ মাঝি (৪০), জালিয়াপাড়া এলাকার মৃত হাসানের ছেলে সৈয়দ করিম (৪০), কোনারপাড়া এলাকার নূরুল আমিনের ছেলে নূর হাসান (২৮), ক্যাম্পপাড়া এলাকার আব্বাসের ছেলে মোহাম্মদ উল্লাহ (৫৫), মাঝেরপাড়া এলাকার ফজলুলের ছেলে জামাল হোসেন (৩৭), মিস্ত্রিপাড়া এলাকার মো. কালুর ছেলে দিল মোহাম্মদ (৩৬) ও ডাঙ্গরপাড়া এলাকার জাফরের ছেলে সাদেক (৩৫), একই এলাকার ফজল আহাম্মদের ছেলে জাকের (৫৫)।

তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে ট্রলার মালিক আবুল হোসনে মাঝি জানান, ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে অন্য একটি ট্রলার নিয়ে সাগরে তল্লাশি চালিয়ে ডুবয়ে যাওয়া ট্রলারটি খোঁজ মিলেছে। অন্য কয়েকটি ট্রলারের সাহায্যে তা টেনে তুলে নিয়ে আসা হচ্ছে। আমি এখন (রাত ৯টায়) সাগরে রয়েছি, তীরে আসলে কথা বলবো। তবে এ ঘটনায় অপহৃত জেলে পরিবারের মাঝে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

টেকনাফস্থ ২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল আবুজার আল জাহিদ জানান, সাগর থেকে জেলে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শোনার পর দোভাষী দিয়ে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা আট জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষযটি স্বীকার করেছেন।

শুক্রবার সকাল ১০টায় তাদের ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সায়ীদ আলমগীর/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।