বাগেরহাটে ট্রলারডুবি : আরও ৯ মরদেহ উদ্ধার
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে পানগুছি নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ১৮ জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারী টিমের সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত তারা বিভিন্ন এলাকায় নদীতে ভাসমান অবস্থায় নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নাম পরিচয় নিশ্চিত হয়ে স্বজনদের নিকট হস্থান্তর করা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক মাসুদার রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকালে যাদের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে, মো. সুলতান হাওলাদার (৫৫), আব্দুল মজিদ (৭৫), মো. আনসার হাওলাদার (৫০), রফিকুল ইসলাম (৩৫), নাজমুল সেখ (৬), মোরেলগঞ্জের বাশবাড়িয় গ্রামের আলম চাপরাশীর স্ত্রী ছালমা (৩০) ছেলে সাজ্জাদ (২) ও রায়েন্দা পাইলট স্কুলের ১০ শ্রেণির ছাত্র আবির আল শামস এবং গোপালপুর চিংড়াখালী গ্রামের তবিবুর রহমানের স্ত্রী মুন্নি বেগম (৪০)।
তৃতীয় দিয়ের উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের একাধিক দল। ট্রলার নিয়ে নদীর বিভিন্ন এলাকায় মরদেহের সন্ধানে অভিযান চলছে। এখনো তালিকা অনুযায়ী আটজন নিখোঁজ রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মকতা আরও জানান, নতুন করে আর মরদেহ মেলেনি। সকালে নদীতে ভাটার সময়ে পানি কম থাকায় প্রায় একই স্থান থেকে ওই নয়টি মরদেহ পাওয়া যায়।
এদিকে নিখোঁজদের খোঁজে নদী তীরে ভিড় করে রয়েছেন অনেক স্বজন। ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনীর পাশাপাশি নিকটজনের মরদেহ খুঁজে পেতে ট্রলার নিয়ে নদীতে ছুটে চলছেন অনেকই।
নদীতে স্বজনের মরদেহ খুঁজে পেতে চলছে প্রাণান্তর চেষ্টা। আবার অনেকেই নদীর তীরে বসে আছে কখন মরদেহ নিয়ে আসবে উদ্ধারকর্মীরা সেই অপেক্ষায়। মরদেহ এলেই স্বজনেরা ছুটে যাচ্ছে তার কাছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মোলেড়গঞ্জের পানগুছি নদীতে খেয়া পারাপারের জন্য ব্যবহৃত ইঞ্জিন চালিত একটি ট্রলার শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়।
শওকত আলী বাবু/এএম/আরআইপি