জঙ্গি সম্পৃক্ততা থাকতে পারে, খতিয়ে দেখা হবে


প্রকাশিত: ০১:৫৫ পিএম, ২২ এপ্রিল ২০১৫

আশুলিয়ায় গুলি ও বোমা ফাটিয়ে ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় জঙ্গি গোষ্ঠী সম্পৃক্ত থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বুধবার বিকেলে আশুলিয়ার কাঠগড়া বাজারে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ডাকাতি হওয়া শাখা পরিদর্শনের গিয়ে এ মন্তব্য করেন।

এসময় ডাকাতির ঘটনাটি অধিকতরভাবে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়ে তিনি আরো বলেন,  বাংলাদেশের অনেক জায়গাতেই ডাকাতি হয়। আমি অনেক লুটতরাজ দেখেছি। কিন্তু এই ঘটনাটি আমার কাছে ভিন্ন একটি ঘটনা।

ডাকাতদের উদ্দেশ্য কি ছিল?  হত্যাকাণ্ড দেখে সেগুলো এখন প্রশ্নবিদ্ধ। এখানে গ্রাহককে মারা হয়েছে। ম্যানেজার, সিকিউরিটি গার্ডকে মারা হয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার ও কুপিয়ে সবাইকে হত্যা করা হয়েছে। এই বর্ববোরোচিত হত্যাকাণ্ডের তুলনা নেই বাংলাদেশে। তবে আমি এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানাই। যারা ডাকাতদের প্রতিরোধ করেছে। সমাজে এখনও ভালো মানুষ রয়েছে। যারা কিনা ডাকাতদের ধাওয়া দিয়েছে, এটি আসলে প্রশংসনীয়। এই সাহসী ব্যক্তিরা সমাজে আছে বলেই এখনও সমাজ টিকে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ডাকাতরা বের হয়ে যাওয়ার সময় জনতা তাদের ধাওয়া দিয়ে আটক করায় পুলিশ ডাকাতদের ধরতে পেরেছে। আটক ডাকাতের কাছ থেকে আমরা যে তথ্য পেয়েছি তাতে মনে হচ্ছে এটি শুধু টাকা লুটের জন্য ঘটানো হয়নি। এর পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। সেই কারণ কি তা শিগগিরই উদঘাটন করে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ডাকাতরা যে সমস্ত বোমা ব্যবহার করেছে সেগুলো উন্নত মানের। এগুলো বাংলাদেশে একটি গোষ্ঠী এক সময় ব্যবহার করেছে। তাদের সঙ্গে ডাকাতদের সম্পৃক্তরা থাকতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।

এরপরই তিনি বলেন, আটক ডাকাতের দেয়া তথ্য মোতাবেক অভিযান চালিয়ে ডাকাতদের আস্তানা থেকে কিছু জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়েছে। আরো জোর তদন্ত চলছে। কারা কারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের সবাইকে শিগগিরই চিহ্নিত করা হবে।

এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক শহীদুল হক, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি নুরুজ্জামান, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এমএএস/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।