ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু
ওমানে দুটি প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই ভাইসহ তিন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার দিকে দেশটির নিজওয়া শহরের অদূরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই ভাইয়ের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে। অপর বাংলাদেশির বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ দুর্ঘটনায় জসিম উদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন- কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ এলাকার সাহাব উদ্দিন খলিফার ছেলে মো. মাসুদ আলম (৩০) ও মো. জুয়েল রানা (২৫)। নিহত অপরজনের নাম জাহাঙ্গীর। তবে তার বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি। গুরুতর আহত জসিম উদ্দিন কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন গ্রামের আলী হায়দারের ছেলে।
নিহত তিনজনের মরদেহ ওমানের নিজওয়া হাসপাতালে রয়েছে। আহত জসিম উদ্দিনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিজওয়া হাসপাতাল থেকে কমলনগরের বাসিন্দা ওমান প্রবাসী শোয়াইব হোসেন সোহাগ মোবাইল ফোনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সোহাগ জানান, নিজওয়া শহরের অদূরে দুটি প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই ভাইসহ ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর অবস্থায় আহত জসিম উদ্দিনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালর হিমাঘারে রাখা হয়েছে। চার বাংলাদেশি দুর্ঘটনার সময় একই প্রাইভেটকারে ছিলেন।
এদিকে, নিহত মাসুদ আলম ও জুয়েল রানার দাদা তোরাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক মাহফুজুল হক তার নাতিদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহত জসিম উদ্দিনের বড় ভাই জহির উদ্দিন বলেন, প্রথমে শুনেছি জসিমের মৃত্যু হয়েছে। এখন শুনছি গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পাঁচ মাস আগে ধার-দেনা করে তিনি জসিমকে ওমানে পাঠিয়েছেন।
নিহত মাসুদ আলম ও জুয়েল রানার বাবা সাহাব উদ্দিন খলিফা বলেন, দুই বছর আগে তার দুই ছেলে ওমানে যায়। মঙ্গলবার রাতে ওমান থেকে তার এক আত্মীয় দুই ছেলের মৃত্যুর খবর জানায়।
কাজল কায়েস/আরএআর/আরআইপি/এমএস