কক্সবাজারে উচ্ছেদ অভিযান, ৫০ শতক খাস জমি দখলমুক্ত
কক্সবাজার সৈকতের লাবণী পয়েন্টের দক্ষিণ-পূর্বাংশে দীর্ঘদিন ধরে হোটেল সি-গালের দখলে থাকা প্রায় ৫০ শতক খাস জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১টা থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানে বিকেল নাগাদ এসব জমি দখলমুক্ত করা হয়। দখলমুক্ত জমির চারপাশে কাঁটাতারের সীমানা তৈরি করা হয়।
কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহম্মদ নজরুল ইসলাম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পঙ্কজ বড়ুয়া এ অভিযান চালান। সদর থানা পুলিশ ও কক্সবাজারস্থ ১৫ আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা অভিযানে সহায়তা করেন।
সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার কামরুজ্জামান সোহাগ জানান, সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন সরকারি ১ নং খাস খতিয়ানভুক্ত ১০০ শতক (এক একর) জমি দীর্ঘদিন জবর দখলে রেখেছিল হোটেল সি-গাল, প্রসাদ প্যারাডাইস ও তরঙ্গ রেস্তোরাসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।
20170419174115.jpg)
এর মধ্যে হোটেল সি-গালের সীমানাপ্রাচীরের ভেতরে থাকা ৩০ ফুট প্রস্থের ৫০ শতক জমির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে পিলার ও কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে। হোটেলের পূর্বদিকের গেট, সীমানাপ্রাচীর ও সংলগ্ন অন্যান্য স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
হোটেল সি-গালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরুল ছিদ্দিকী রুমী বলেন, হোটেলের সামনের রাস্তাটা ৮০ ফিট হওয়ার কথা। এখন যেটা আছে তা ১৫-২০ ফিট হবে। সে মতে বাউন্ডারির ভেতর রাস্তার জমি থাকতেই পারে। তবে উচ্ছেদের আগে নোটিশ করলে আমাদের স্থাপনাগুলো সরানো সম্ভব হতো। এখন ক্ষতি হয়েছে।
কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, গত এক সপ্তাহ পূর্বে পরিমাপের মাধ্যমে অবৈধ দখলে রাখা জমি চিহ্নিত করে হোটেল কর্তৃপক্ষকে স্ব-উদ্যোগে স্থাপনা সরাতে সময় দেয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে মধ্যে তারা উদ্যোগ না নেয়ায় প্রশাসন সরকারি জমিটি দখলমুক্ত করেছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানান, সি-গাল ছাড়াও হোটেল প্রাসাদ প্যারাডাইস, ফুড ভিলেজসহ সরকারি জমি দখল করে গড়া সব স্থাপনা পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
সায়ীদ আলমগীর/এএম/জেআইএম