পঞ্চগড়ে চা বোর্ডের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় হট্টগোল


প্রকাশিত: ১২:৩৩ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০১৭

উদ্বোধনের আগেই ভণ্ডুল হয়ে গেলো পঞ্চগড় আঞ্চলিক চা বোর্ডের দুইদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা। উদ্বোধন না করেই বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে চলে যান।

এ সময় হট্টগোল শুরু হয় কর্মশালায়। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় পঞ্চগড় আঞ্চলিক চা বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালা শুরু হয়। কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন এলাকার ৭৫ জন ক্ষুদ্র চা চাষি অংশ নেয়।

কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম চা বোর্ডের উপপরিচালক (পরিকল্পনা) মুনির আহামদ। এরপর পঞ্চগড় ক্ষুদ্র চাচাষি সংগঠনের সভাপতি আমিরুল ইসলাম খোকন চাষিদের সমস্যা এবং কিছু দাবি নিয়ে বক্তব্য শুরু করেন।

বক্তব্যের মাঝে চট্টগ্রাম চা বোর্ড চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম তাকে ধমক দিয়ে তার বক্তব্য বন্ধ করতে বলেন। এ সময় ক্ষুদ্র চা চাষিরা উত্তেজিত হয়ে উঠলে প্রশিক্ষণ কর্মশালা ভণ্ডুল হয়ে যায়। পরে চা বোর্ড চত্বরে ক্ষুদ্র চা চাষিরা বিক্ষোভ করেন এবং মুনির আহামদসহ চা বোর্ড চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলামের অপসারণ দাবি করেন।

Panchagarh

ক্ষুদ্র চা চাষি আক্তারুজ্জামান শাহাজান বলেন, চট্টগ্রাম চা বোর্ডের উপপরিচালক (পরিকল্পনা) মুনির আহামদ ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে চা বোর্ডের ১৮ কোটি টাকা লোপাট করেছেন। তারা কর্মশালার নাম করে অর্থআত্মসাতের কৌশল করেছিল। এ জন্য তারা ক্ষুদ্র চা চাষিদের সঙ্গে এমন আচরণ করছে।

পঞ্চগড় স্মল টি হোল্ডারস অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিরুল ইসলাম খোকন বলেন, আমরা আমাদের ন্যায্য কিছু দাবি এবং সমস্যার কথা চেয়ারম্যানকে বলতে শুরু করেছি। তিনি আমাদের কথা না শুনে আমাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছেন। এ জন্য আমরা তার অপসারণ দাবি করছি।

চট্টগ্রাম চা বোর্ড চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম বলেন, কর্মশালায় ক্ষুদ্র চা চাষিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা। সেখানে আমিরুল ইসলাম খোকন চাষিদের নানা সমস্যা নিয়ে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করছিলেন। আমি বলেছি এটা বন্ধ করেন। পরে হাতে দিয়েন। আগে কর্মশালার উদ্বোধন করা হোক।

সফিকুল আলম/এএম/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।