জলঢাকায় কালবৈশাখীতে ৪ শতাধিক বাড়ি বিলীন


প্রকাশিত: ০৬:০০ এএম, ০৪ মে ২০১৫

নীলফামারীর জলঢাকায় বোরবার রাতে কালবৈশাখী ঘূর্ণিঝড়ে ২ শতাধিক বসতভিটা সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। এসময় ইউপি সদস্যসহ আহত হয়েছেন ২৫জন।

জানা যায়, জলঢাকা উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের তালুক গোলনা গ্রামের প্রলয়ঙ্কারি ঘূর্ণিঝড়ে এলাকার শত শত গাছ, বাঁশ ঝাড় ভেঙে বসত ভিটার উপর পড়েছে। এসময় এলাকার বৈদ্যুতিক সংযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়ে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় প্রলয়ঙ্কারি ঘূর্ণিঝড়ে বসতভিটার পাশাপাশি বোরো ধান ও ভুট্টা ক্ষেতের ফসল সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়েছে। ঘূর্নিঝড়ে তালুক গোলনা রশিদুল ইসলাম চৌধুরী দাখিল মাদ্রাসা ও তালুক গোলনা দক্ষিনটারী এবতেদায়ী মাদ্রাসার ঘর ভেঙে পড়েছে।

আহতরা হলেন, গোলনা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সেলিম উদ্দিন (৫০), হুসেন আলীর স্ত্রী লাভলী বেগম (৩৫), একরামুল হকের স্ত্রী ফরিদা বেগম (৩০), জাহেদুল ইসলামের স্ত্রী সোনালী বেগমসহ (৩২) ২৫জন।

আহতদের রাতে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তালুক গোলনা গ্রামের আব্দুর রশিদের স্ত্রী ইসমত আরা বেগম (২০) জানান, তিনি বাবার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সকালে মোবাইল ফোনে সংবাদ পান, ঘূর্ণিঝড়ে তার ৪টি ঘর সম্পূর্ণ ভেঙে তছনছ হয়ে গেছে।

গোলানা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ২ শতাধিক পরিবারের ৪ শতাধিক বসতবাড়ি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। এলাকার ৫শ` একর ভুট্টা ও ২ একর বোরো ধান পুরোপুরি বিনষ্ট হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরির কাজ করছে।

জাহেদুল ইসলাম/এমজেড/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।