সচিব নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন, তিন পরীক্ষার্থীর দণ্ড
নওগাঁয় ইউয়িন পরিষদ সচিব নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় তিন পরীক্ষার্থীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার বেলা ১১টায় নওগাঁ জিলা স্কুল, নওগাঁ কেডি উচ্চ বিদ্যালয় ও নওগাঁ বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ পৃথকভাবে ভ্রাম্যমাণ আলাদতে কারাদণ্ড দেয়া হয়।
পরীক্ষার্থীরা হলেন, নওগাঁর মান্দা উপজেলার ছোট বেলালদহ গ্রামের আসমত উল্লাহর মেয়ে ও শহীদুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া সুলতানা এবং রাণীনগর উপজেলার ভান্ডারগ্রামের গ্রামের ফনির ছেলে মিঠু ও খট্টেশ্বর গ্রামের এসএম সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে একেএম সাফাওয়াত ইসলাম।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ইউয়িন পরিষদ সচিব নিয়োগ পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষা শুরুর আধাঘন্টা পর নওগাঁ জিলা স্কুল কেন্দ্রের ৩০৬ নম্বর কক্ষে পাপিয়া সুলতানা কানে হেডফোন লাগিয়ে কথা বলছিল। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
এসময় জেলা প্রশাসকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম হাবিবুল হাসান, ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সফিউজ্জামান ভুঁইয়া, আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোখলেছুর রহমান এবং নিয়ামতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহিন রেজা উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে, ভ্রাম্যমাণ আলাদতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াছিন আলী বলেন, পরীক্ষা শুরুর ৪৫ মিনিট পর নওগাঁ বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৮ নম্বর কক্ষে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অসদুপায় অবলম্বন করায় পরীক্ষর্থী মিঠুকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
এছাড়া নওগাঁ কেডি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষার্থী একেএম সাফাওয়াত ইসলাম পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। তাদেরকে নওগাঁ জেলা হাজতে পাঠানো হয়।
আব্বাস আলী/এমএএস/পিআর