খসড়া নিয়ে এজলাসে বসে কথা বলার কিছু নেই : আইনমন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি যশোর
প্রকাশিত: ১১:১৭ এএম, ৩০ জুলাই ২০১৭

বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালার খসড়া নিয়ে প্রধান বিচারপতির উদ্দেশে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আমি যখন খসড়া জমা দিয়েছিলাম তখনই তো বলেছি এরপরও কিছু থেকে থাকলে আলোচনা করা যাবে।

এনিয়ে বড় করে এজলাসে বসে কথা বলার কিছু নেই।

বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালার খসড়া নিয়ে রোববার সকালে প্রধান বিচারপতি আদালতের এজলাসে আলোচনার আহ্বান জানালে এদিন দুপুরে যশোরে এক অনুষ্ঠান শেষে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালার গেজেট জারি নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে নির্বাহী ও বিচার বিভাগের মধ্যে টানাপড়েনের পর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বৃহস্পতিবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে চূড়ান্ত খসড়াটি হস্তান্তর করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ গত সপ্তাহে ওই গেজেট প্রকাশের জন্য ৩০ জুলাই পর্যন্ত সময় দিয়েছিল। সে অনুযায়ী রোববার বিষয়টি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারকের আপিল বেঞ্চে আসে। কিন্তু খসড়া গ্রহণ না করে প্রধান বিচারপতি মতপার্থক্য নিরসনে বৈঠকে বসার কথা বলেন।

রোববার দুপুরে যশোরে কর্মরত সাংবাদিকরা এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ সমুন্নত রেখে বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা করা হবে। আমি সেই আলোচনার মধ্যেই আছি।

আইনমন্ত্রী সকালে বিমানে যশোর আসেন। এরপর তিনি যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শরীফ আবদুর রাকিবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল গফুরের পরিচালনায় মতবিনিমিয় সভায় বক্তব্য দেন এমপি মনিরুল ইসলাম, আইন সচিব আবু সালেহ শেখ জহুরুল হক, বিচারক আমিনুল ইসলাম, সিনিয়র আইনজীবী আবদুস শহীদ লাল প্রমুখ।

পরে বিকেলে প্রায় ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে যশোর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন আইনমন্ত্রী।

মিলন রহমান/আরএআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।