নাটোরে শ্যালক হত্যায় দুলাভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নাটোর
প্রকাশিত: ১১:০৯ এএম, ০৭ আগস্ট ২০১৭

নাটোরের সিংড়ায় সাত বছরের শিশু খান জাহানকে হত্যার দায়ে তার দুলাভাই হেলাল উদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে নাটোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রেজাউল করিম এ রায় দেন।

এছাড়াও মামলার অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত হেলাল উদ্দিন সিংড়ার সুকাশ ইউনিয়নের আগমুরশন গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে ও নিহত খান জাহানের দুলাভাই। নিহত খান জাহান একই এলাকার তালেব আলীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৫ জানুয়ারি নাটোরের সিংড়ার সুকাশ ইউনিয়নের আগমুরশন গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে হেলাল উদ্দিন পারিবারিক বিরোধের জের ধরে তার সাত বছরের শ্যালক খান জাহানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে তার মরদেহ বস্তাবন্দি করে বাড়ির পাশের জঙ্গলে ফেলে রাখেন।

এদিকে খান জাহানকে অনেকক্ষণ দেখতে না পেয়ে বাড়ির সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে এলাকাবাসী হেলাল উদ্দিনের বাড়ির পাশে জঙ্গলে বস্তাবন্দি কিছু পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে বস্তার ভিতর থেকে খান জাহানের মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা তালেব আলী বাদী হয়ে তার জামাই হেলাল উদ্দিনকে প্রধান আসামি ও আরও পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্ত করে অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট প্রদান করে। আদালতের বিচারক মামলার শুনানি শেষে হেলাল উদ্দিনের ফাঁসির আদেশ দেন এবং অন্য পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস দেন। ঘটনার পর থেকে হেলাল উদ্দিন জেল হাজতে রয়েছেন।

মামলা থেকে খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- মিলন হোসেন, আসাদুল ইসলাম, হেলেনা বেগমনুরুননবী ও রেজাউল করিম।

রেজাউল করিম রেজা/আরএআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।