রিমান্ড শেষে সিলেটের ফটো সাংবাদিক ইদ্রিছ জেল হাজতে
বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশ হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত ফটো সাংবাদিক ইদ্রিছ আলীর সাত দিনের রিমান্ড শেষ হয়েছে। সিআইডি হেফাজতে রিমান্ড শেষে সোমবার দুপুরে তাকে সিলেট মহানগর হাকিমের দ্বিতীয় আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের বিচারক ফারহানা হক তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নিদের্শ দেন।
আদালতের সাধারণ নিবন্ধক বিজয় রায় জানান, ইদ্রিছের সাত দিন রিমান্ড শেষে মহানগর হাকিম দ্বিতীয় আদালতে তাকে তুলেন তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকার সিআইডি ইন্সপেক্টর আরমান আলী। তিনি আদালতে লিখিত বক্তব্যে বলেন, সাত দিনের রিমান্ডে ইদ্রিছের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করতে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম`র একটি দল সিলেটে অবস্থান করে তদন্ত করছে। তদন্তের ব্যাপারে পরবর্তীতে আদালতকে অবগত করা হবে বলেও জানান তিনি।
রিমান্ড হেফাজতে ইদ্রিছ আলীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ইদ্রিছ আলীর কাছ থেকে উল্লেখ যোগ্য কোনো তথ্য পায়নি। তবে যা পাওয়া গেছে সেব তথ্য যাচাই-বাছাই ও এর সূত্র ধরে তদন্ত চলছে।
সিআইডি সূত্র জানায়, ইদ্রিছের দেওয়া তথ্যে অনেক সময় মনে হয়েছে, সে কাউকে ফাঁসাতে চাচ্ছে, আবার অনেক সময় মনে হচ্ছে সে নিজেকে রক্ষা করতেই নানা কথা বলছে। তবে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর জন্য এ সকল তথ্য যথেষ্ট নয় বলে সিআইডি কর্মকর্তারা মনে করছেন।
প্রসঙ্গত, নগরীর সুবিদবাজারের নূরানীদিঘীর দক্ষিণ কোনে গত ১২ মে সকালে খুন হন ব্যাংকার, লেখক ও ব্লগার অনন্ত বিজয় দাস। এ ঘটনায় গত ৭ জুন রাতে দৈনিক সংবাদ ও সবুজ সিলেট`র ফটো সাংবাদিক ইদ্রিছ আলীকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।
পরদিন সোমবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে সিআইডি ১৫দিনের রিমান্ড হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন করে। আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই দিনই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ঢাকার মালিবাগস্থ সিআইডি সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়।
ছামির মাহমুদ/এআরএ/আরআই