ঠাকুরগাঁওয়ে একই নামে দুই মাদরাসা, এলাকায় উত্তেজনা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁও
প্রকাশিত: ০১:০২ পিএম, ০৬ নভেম্বর ২০১৭

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বগুলাডাঙ্গী গ্রামে একই মহল্লায় একই নামে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি দুটি মাদরাসা নিমার্ণকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৮০ সালে বগুলাডাঙ্গী মৌজার ৩৩৯০ ও ৩৩৯৪ নং দাগের ৪০ শতক দানকৃত জমির ওপর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি ঘর নির্মাণ করা হয়।

দীর্ঘ দিন চেষ্টা করেও ওই মাদরাসা সরকারি স্বীকৃতি না পাওয়ায় হতাশ হয়ে ২০০০ সালে মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা, শিক্ষক তাহেরুল ইসলাম, আব্দুল সাত্তারসহ কয়েকজন শিক্ষক জোট হয়ে মাদরাসার জন্য নির্মিত ঘরটি ভেঙে মাদরাসা বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।

এছাড়া জমিদাতাগণ সরকারি ভূমি জরিপের সময় ওই জমি নিজেদের নামে পর্চা করে তাতে ঘরবাড়ি করে বসবাস শুরু করেন।

২০০৯ সালে এলাকার লোকজন ওই মাদরাসাটি চালু করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করলে একই মৌজার ৩৪৭৭ ও ৩৪৮২ নং দাগে আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তি ৪০ শতক জমি দান করেন এবং স্থানীয়দের উদ্যোগে সরকারি শিক্ষানীতিমালার আলোকে মাদরাসাটির কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।

ওই মাদরাসাটি সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী স্বীকৃতি লাভের সম্ভাবনা দেখা দিলে গত শনিবার বিলুপ্ত ঘোষণাকারী শিক্ষকগণ তড়িঘড়ি করে আবাদি ও বসত বাড়ির সঙ্গে একই নামে মাদরাসার অপর একটি ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের লোকজনের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নূর আলম ছিদ্দিকি মুক্তি জানান, শালিস বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লিয়াকত আলী জানান, তিন কিলোমিটারের মধ্যে দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের সুযোগ নেই। একই এলাকায় দুইটি মাদরাসা নির্মাণ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মো: রবিউল এহসান রিপন/এএম/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।