কক্সবাজারে অপহৃত কৃষকদের উদ্ধারে চলছে যৌথ অভিযান

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০৪:৩৮ পিএম, ২০ জানুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ০৪:৪১ পিএম, ২০ জানুয়ারি ২০১৮

কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়া এলাকার তিনজনসহ চার কৃষককে নাইক্ষ্যংছড়ির বাঁকখালী মৌজা এলাকার পাহাড় থেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার ভোররাতে পাহাড়ের বাকঁখালী মৌজা লদুর মূখ এলাকাস্থ খামার থেকে তাদের অপহরণ করা হয়। এ অপহরণ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল কালাম ও দৌছড়ি ইউনিয়নের নারী সদস্যরা রেহেনা বেগম।

অপহৃত চাষিরা হলেন, কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের থিমছড়ি এলাকার মৃত আব্দু রশিদের ছেলে শাহ আলম (৩৫), গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াংগ্যা কাটা এলাকার বাসিন্দা মৃত নুরুল আলমের ছেলে আব্দুল আজিজ (১৬) ও থিমছড়ি এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুর রহিম (২৬) এবং নাইক্ষ্যছড়ির দৌছড়ি ইউনিয়নের বাকঁখালী মৌজার বাসিন্দা মৃত আলী মদনের ছেলে আবু ছৈয়দ (৩৫)।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রামু ও দোছড়ির চাষিরা বাকঁখালী মৌজার লদুর মূখ স্থানে তাদের খামার পাহারারত অবস্থায় ছিলেন। শনিবার ভোররাতে অস্ত্রধারী ৬-৭ জনের একটি সন্ত্রসী দল খামার ঘর থেকে ৪ তামাক চাষিকে তুলে নিয়ে যায়। তারা দৌছড়ির বাকঁখালী মৌজার লদুর মূখ এলাকায় জমি বর্গা নিয়ে তামাক চাষ করতেন।

স্থানীয়রা আরও জানান, এর আগেও দোছড়ি ইউনিয়নের ছাগল খাইয়া থেকে মুক্তিপণের দাবিতে সন্ত্রাসীরা ৬ তামাক চাষিকে অপহরণ করেছিল। সেই সময় তাদের উদ্ধারে বিজিবি-পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। কিন্তু অপহৃতদের হাত থেকে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে মুক্তিপণের বিনিময়েই অপহৃতরা ছাড়া পায়।

রামু থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ একেএম লিয়াকত আলী বলেন, খামার এলাকায় গিয়ে রামুর দূর্গম ইউনিয়ন গর্জনিয়ার তিন চাষি অপহরণের শিকার হয়েছে বলে জেনেছি। ঘটনাস্থলটি নাইক্ষংছড়ি পড়েছে। আমরা তাদের সাথে যোগাযোগ রাখছি। প্রয়োজন পড়লে আমরাও নাইক্ষংছড়ির সঙ্গে যোগ দেব।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশের ওসি শেখ আলমগীর জানান, অপহৃতের ঘটনা শোনার পর পুলিশ-বিজিবি পৃথক অভিযানে নেমেছে। সম্ভাব্য স্থানগুলো ঘেরাও করে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে, এখনও অপহৃত ব্যক্তিদের পরিবার থেকে থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সায়ীদ আলমগীর/এমএএস/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :