গুরুদাসপুরে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা
নাটোরের গুরুদাসপুরে মরিয়ম খাতুন নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার পিপলা গ্রাম থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত মরিয়ম খাতুন উপজেলার বামনবাড়ীয়া গ্রামের আমিরুল মন্ডলের মেয়ে।
নিহতের পারবারিক সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় এক বছর আগে পিপলা গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে খুবজীপুর ডিগ্রি কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র ফরহাদ হোসেনের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করেন মরিয়ম খাতুন। বিয়ের পর উভয় পরিবার বিষয়টি মেনে নেয়। কিন্তু কিছু দিন পরেই ফরহাদের পরিবারের পক্ষ থেকে যৌতুক দাবি করা হয়। পরে মরিয়মের বাবা তার জামাই ফরহাদ হোসেনের পরিবারের কাছে যৌতুক হিসেবে ৮৫ হাজার টাকা দেন। কিন্তু সেই টাকা নেয়ার পরও তারা আরও টাকা দাবি করেন। এনিয়ে মরিয়মের সঙ্গে তার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির প্রায়ই ঝগড়া লাগতো। মাঝে মাঝে মরিয়মকে শারীরিক নির্যাতন করা হতো।
পরিবারের দাবি, গতরাতে কোনো এক সময় মরিয়মকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলীপ কুমার দাস জানান, ময়নাতদন্তের পর মরিয়মের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামীসহ শ্বশুর-শাশুড়ি ও পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ফরহাদ হোসেন তার বাবা ফজলুর রহমান ও মা ফাহিমা বেগমকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
রেজাউল করিম রেজা/আরএআর/পিআর