ভারতে সাজা ভোগ শেষে দেশে ফিরল শিশুসহ ১৯ বাংলাদেশি নারী
ভারতে সাজা ভোগ শেষে দেশে ফিরল শিশুসহ ১৯ বাংলাদেশি নারী। বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এ সময় বিজিবি, বিএসএফ ও দুই দেশের ইমিগ্রেশন পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশে ফিরে আসারা হলেন- রানী মণ্ডল (২৩), রুপা খাতুন (১৫), হালিমা খাতুন (২০) ও তার শিশু সন্তান আব্দুল্লাহ (০২), নাজমা খাতুন (২৪), মারিয়া (১৭), হালিমা বেগম (১৬), ইতি খাতুন (১৫), রিক্তা (১৭), আশা আক্তার (২২), নাসিমা খাতুন (১৭), আয়শা আক্তার (২৭), স্বপ্না (২৪), সুলতানা (২২), শান্তা (১৬), ডলি আক্তার (২৮), রিনা (৩২) ও রিমা আক্তার (২০)। এদের বাড়ি খুলনা, সাতক্ষীরা, নড়াইল ও যশোর জেলার বিভিন্ন এলাকায়।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মানবাধিকার সংস্থা যশোর শাখার প্রোগ্রাম অফিসার সরোয়ার হোসেন জানান, দেশে ফেরত আসা নারীরা সীমান্তের অবৈধপথে বিনা পাসপোর্টে ভারতে যান। অবৈধভাবে ভারতের মুম্বাই শহরে বিভিন্ন বাসা বাড়িতে কাজ করার সময় সে দেশের পুলিশের হাতে আটক হন তারা। পরে তাদের পুলিশ জেল হাজতে পাঠায়। অবৈধ অনুপ্রবেশের অপরাধে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয় সে দেশের আদালত। সেখান থেকে রেসকিউ ফাউন্ডেশন নামের একটি এনজিও তাদের মুক্ত করে নিজেদের হেফাজতে রাখে। পরে ভারত সরকারের দেয়া বিশেষ ‘ট্রাভেল পারমিটের’ মাধ্যমে তাদেরকে দেশে ফেরত আনা হয়। ফেরত আসাদের মধ্যে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার দুইজন, মহিলা আইনজীবী সমিতির শিশুসহ ১৩ জন এবং রাইটস যশোর চারজনকে গ্রহণ করেছে।
জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের কো-অর্ডিনেটর আব্দুল মুহিত জানান, ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন। সেখান থেকে রাইটস, জাস্টিস ও মহিলা আইনজীবী এনজিও সংস্থা তাদেরকে গ্রহণ করে ঢাকা আহসানিয়া মিশনের শেল্টার হোমে রাখবে। পরে তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হবে।
জামাল হোসেন/আরএআর/জেআইএম