রাজশাহী ও লক্ষ্মীপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৫৯ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০১৮
ফাইল ছবি

রাজশাহীর চারঘাট ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দু্ইজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে এই দুই স্থানে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন থেকে জানা যায়-

রাজশাহী : রাজশাহীর চারঘাটে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রায়হান আলী (৩৪) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে চারঘাট-বাঘা মহাসড়কের হাজির ঢালানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রায়হান আলী পাশ্ববর্তী বাঘা উপজেলার জোতরাঘব এলাকার বাসিন্দা।

চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সকালে বাঘা থানার ওসি স্থানীয়দের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে নিহতের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রায়হান আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। বাঘা থানায় তার নামে বেশ কয়েকটি ডাকাতির মামলাও রয়েছে।

র‌্যাবের বরাত দিয়ে ওসি বলেন, রাতে মহাসড়তে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলো ডাকাত দলটি। এসময় র‌্যাব সদস্যরা সেখানে পৌঁছালে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে ডাকাতরা। এসময় র্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। এতে চার র‌্যাব সদস্য আহত হন। ডাকাতরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ ওই ডাকাতকে উদ্ধার করে র‌্যাব। পরে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সকালে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল মর্গে নেয়া হয়। এনিয়ে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান ওসি।

এদিকে, র‌্যাব-৫ রাজশাহী উপঅধিনায়ক মেজর এসএম আশরাফুল ইসলাম বলেন, ডাকাতদের সঙ্গে ওই বন্দুকযুদ্ধে র‌্যাবের চার সদস্য আহত হয়েছেন। তাদেরও চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তবে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।

ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেমি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, ২টি হাসুয়া, ২টি ছোরা ও ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান ওই র্যাব কর্মকর্তা।

লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নুরুল আলম নুরু নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নুরুলের বিরুদ্ধে থানায় ৬টি ডাকাতি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নুরুল উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের পূর্ব জাফরপুর গ্রামের শামসুদ্দোহার ছেলে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জের গণিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, একটি পাইপগান, ৫ রাউন্ড গুলি ও ২টি ধারালো কিরিজ উদ্ধার করে পুলিশ।

এসময় রফিক উল্যাহ ও রুবেল নামে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। আহতদের সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, রাতে চন্দ্রেগঞ্জের গণিপুর এলাকায় ডাকাতদল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ খবর পেয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ১৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে নুরুল গুলিবিদ্ধ হয় ও অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ নুরুলকে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। তার মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাফর আহম্মদ বলেন, নিহত নুরুল পুলিশের তালিকাভুক্ত ডাকাত।

এমবিআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।