কৃষি শ্রমিকের মজুরি বেশি, বিপাকে কৃষক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ঝিনাইদহ
প্রকাশিত: ০৪:৫৩ পিএম, ০১ আগস্ট ২০১৮

ঝিনাইদহ বরাবরই ধান উৎপাদনে অন্যান্য জেলা থেকে এগিয়ে। এই জেলার ৬টি উপজেলা- হরিণাকুন্ড, কালীগঞ্জ, শৈলকুপা, কোটচাঁদপুর, মহেশপুর ও সদরে একই সঙ্গে সমানতালে চলে ধান রোপণ, কর্তন ও মাড়াইয়ের কাজ। তাই কৃষি শ্রমিকের সংকট থাকায় প্রত্যেক মৌসুমেই বাইরে থেকে কৃষি শ্রমিক এসে কৃষকদের এ কাজে সহায়তা করে। কিন্তু কৃষি শ্রমিকদের মজুরি বেশি হওয়ার কারণে এই অঞ্চলের সাধারণ কৃষকেরা বিপাকে পড়েছে।

সরেজমিনে জানা যায়, গাড়াগঞ্জ কৃষি শ্রমিক বাজারে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এখানে বিক্রয় হতে এসেছে কৃষি শ্রমিক। তাদের কেউবা এসেছে পাবনা আবার কেউবা সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে।

এসব কৃষি শ্রমিকরা জানান, যে গিরস্থের বাড়িতে ৩ বেলা খেয়ে জনপ্রতি শ্রমিকের মূল্য ৪০০ টাকা।

পাবনার মকিম মন্ডল জানান, এবার আউস মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আউস ফসল ঘরে উঠছে না। প্রথম দিকে বৃষ্টি হলেও ধান রোপণের সময়ে বৃষ্টি না হওয়ার কারণে ধান রোপণে দেরি হয়ে গেছে ।

শৈলকুপার কৃষক আব্দুর রহমান জানান, এক বিঘা জমি চাষ করতে গেলে শুধু রোপণ শ্রমিক খরচ পড়ছে ৩ হাজার টাকা। তাছাড়া রয়েছে চাষ, চারা, আগাছা পরিষ্কার, সার ও ধান কাটা বাবদ খরচতো আছে। সর্ব সাকুল্যে যে খরচ তাতে উৎপাদন মূল্য বাদ দিলে তাতে ঘাটতি পড়ে যাবে।

স্থানীয় কৃষক রমজান আলী, রফি উদ্দিন হতাশা প্রকাশ করে বলেন, আমাদের আর কোনো উপায় নেই। এখন চাষের কাজে শ্রমিক পাওয়া মুশকিল হয়ে গেছে। তাই ধান রোপণ করতে গেলে তাদের এই দামেই নিয়ে যেতে হবে। তা না হলে আরও দেরি হয়ে গেলে পরে ফসল পেতেও দেরি হয়ে যাবে। জমি ফেলে রেখে তো লাভ নেই।

আহমেদ নাসিম আনসারী/আরএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।