ঝিনাইদহে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি ঝিনাইদহ
প্রকাশিত: ০৬:৫১ পিএম, ১২ আগস্ট ২০১৮

সাংবাদিক আজাদ রহমানের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে, অন্যথায় জেলাব্যাপী কঠিন আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। আমরা আজাদ রহমানের নামের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চাই, নিরাপদে সাংবাদিকতা করতে চাই।

রোববার বিকালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব দাবি করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা।

বক্তারা বলেন, স্থানীয় কৃষি বিভাগের একটি অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে আজাদ রহমান প্রথম আলো পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশ করেন। সেই সংবাদের সঠিক তদন্ত না করে কৃষি বিভাগ উপকারভোগীদের দিয়ে সাংবাদিকের নামে মিথ্যা ১২টি মামলা দায়ের করেন। যার মধ্যে সংবাদ চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা ১০টি মামলা ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। এখন সাংবাদিককে হয়রানি করতে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা দেয়া হয়েছে। এই মামলায় আজাদ রহমানকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। আর এই কাজে কৃষি বিভাগ সরকারের মন্ত্রীদের নাম ব্যবহার করছে। মানববন্ধন থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। পাশাপাশি অবিলম্বে চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

Jhenidah-Humanchian-1

কালীগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকদের আয়োজনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন- বিশ্বাস আব্দুর রাজ্জাক, আলহাজ শহিদুল ইসলাম, আনোয়ারুল ইসলাম রবি, মোস্তফা জলিল, জামির হোসেন, নয়ন খন্দকার, এম. শাহজাহান আলী সাজু প্রমুখ। এতে একাত্বতা প্রকাশ করে আরও বক্তব্য দেন-বাংলাদেশ বাস্তহারা লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আলহাজ তোফাজ্জেল হোসেন ও কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আনিচুর রহমান মিঠু। এ সময় কালীগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেনসহ অনেকেই মানববন্ধনে অংশ নেন।

প্রসঙ্গত, সারা দেশের ন্যায় ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা কৃষি বিভাগ ভুর্তকির মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে কলের লাঙল বিতরণ করেন। এই বিতরণে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর ২০১৫ সালের মে মাসে প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই সংবাদ প্রকাশের পর স্থানীয় কৃষি বিভাগ তদন্তের নামে নাটক সাজিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন দেন। সাংবাদিক আজাদ রহমান তাদের সেই তদন্ত নাটক আবারও পত্রিকায় তুলে ধরেন। এরপর কৃষি বিভাগ নিজেদের অপরাধ ঢাকতে উপকারভোগীদের দিয়ে একটার পর একটা মামলা দায়ের করেন। যার বেশির ভাগ নিষ্পত্তি হলেও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা চলছে।

আহমেদ নাসিম আনসারী/আরএ/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :