হাসপাতালে প্রবেশ করে আহত ছাত্রদলের নেতাকে মারধর

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)
প্রকাশিত: ০৬:৪৪ পিএম, ১৮ আগস্ট ২০১৮

পটুয়াখালীর মহিপুর থানায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে ছাত্রদলের দুগ্রুপের সংঘর্ষে দুই ছাত্র নেতা আহত হয়েছেন। আহত নেতারা হলেন-জুয়ের মুসুল্লী (২১) ও এমাদুল হাওলাদার (২৮)। তাদেরকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে থানার আলীপুর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ হামলার জের ধরেই সরকারি মেজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইয়াদুল ইসলাম তুষারের নেতৃত্বে ৫-৬ জন হাসপাতালের ওয়ার্ডে গিয়ে এমাদুলের ওপড় হামলা করে ও হাসপাতালে ভাঙচুর চালায়। এ সময় রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় কলাপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

প্রতক্ষ্যদর্শী ও আহতরা জানায়, লতাচাপলী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি এমাদুল ও মহিপুর থানা ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক জুয়েল মুসুল্লীর মধ্যে কমিটি গঠন নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে আহতাবস্থায় এমাদুলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুষারের নেতৃত্বে নুরু মুসুল্লী, ইলিয়াস মুসুল্লীসহ ৫-৬ জন হাসপাতালে তার ওপর আবার হামলা চালায়।

এ বিষয়ে এমাদুলের পাশের বেডের রোগীর স্বজন হোসনেয়ারা বেগম জানান, ৫-৬ জন যুবক এসে এমাদুলের ওপড় অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এ ঘটনায় ভয়ে আতঙ্কে চিৎকার করে রোগীরা ছোটাছুটি শুরু করে। হামলাকারীরা হাসপাতালের জিনিসপত্র ভাঙচুর করে।

কলাপাড়া থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বিপ্লব মিস্ত্রী জানান, হামলার খবর পেয়ে হাসপাতালে যাই। পালিয়ে যাওয়ায় হামলাকারীদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কাজী সাঈদ/আরএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।