টিউবওয়েল বসানো নিয়ে সংঘর্ষ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি নাটোর
প্রকাশিত: ০১:২০ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০১৮

নাটোরের সদর উপজেলায় টিউবওয়েল বসানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১২ জনকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো।

রোববার সকাল ১০টার দিকে গোয়ালডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহক অন্যদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আহতরা হলেন- সদর উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মৃত লবু সরদারের ছেলে রেজাউল সরদার (৩৫), ফজলুর রহমান (৪০), নবী সরদার (৪২), আলতাফ সরদার (৩৫), আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সোহল সররদার (২০), রেজাউল সরদারের স্ত্রী মীরা সরদার (২৪), নবীর উদ্দিন শাহর ছেলে বাবলু শাহ (৫৫), নবীর উদ্দিনের মেয়ে নূর নাহার (৩০), আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সোহাগ (১৬), আয়নাল সরদারের ছেলে কামরুল সরদার (২৫), সদর উপজেলার কৃষ্টপুর গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে সোহাগ (১৮) ও সদর উপজেলার হুগোলবাড়ীয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী সাবিনা খাতুন (২৫)। এদের মধ্যে অবস্থার অবনতি হওয়ায় রেজাউল ও নবীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Natore

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে নাটোর সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী জালাল উদ্দিন আহম্মেদ জানান, সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের টিউবওয়েল বসানো নিয়ে মিস্ত্রি আব্দুর রাজ্জাক ও বাবলু শাহর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রাজ্জাক ক্ষিপ্ত হয়ে বাবলুর ওপর হামলা চালায়। এ সময় বাবলুর সমর্থকরা এ খবর পেয়ে তাদের থামাতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৭ জন আহত হয়। পরে এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করে। পরে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজনের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। তবে এ ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি।

রেজাউল করিম রেজা/আরএ/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :