হাতির মালিকদের সতর্ক করল পুলিশ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মৌলভীবাজার
প্রকাশিত: ০৪:৫৩ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও জুড়ী উপজেলার ৪৭টি হাতির ৩৪ জন মালিককে সতর্ক করেছে পুলিশ। হাতির মালিকদের অবহেলার কারণে কেউ মারা গেলে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) আবু ইউসুফ।

সোমবার দুপুরে কুলাউড়া ও জুড়ীর হাতির মালিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে পুলিশ। এতে হাতির মালিকদের নিজের হাতির যথাযথ হেফাজতে ব্যর্থ হলে অবহেলাজনিত হত্যা মামলা দায়েরের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। হাতি দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধেরও আহ্বান জানানো হয়েছে মালিকদের।

মৌলভীবাজারে কুলাউড়া সার্কেলের উদ্যোগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কুলাউড়া ও জুড়ী থানার দুই ওসি ছাড়াও কুলাউড়া পৌরসভা, উভয় থানার হাতির মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) আবু ইউসুফ জাগো নিউজকে জানান, হাতি জাতীয় সম্পদ। পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে তারা হাতির মালিক হয়েছেন। ২০০৭/০৮ সাল থেকে হাতির মালিকদের বন বিভাগ থেকে নিবন্ধন ও প্রতি বছর তা নবায়ন করতে হয়। হাতি ব্যবহার করে পাহাড়ের গাছ পরিবহন করা হয়। সার্কাসের লোকেরাও হাতি ভাড়া নেয়। বছরে ১/২ বার পুরুষ হাতি প্রজনন কালে উগ্র হয়। এই সময় হাতিকে শিকলবন্দী করতে না পারলে ক্ষতি সাধন এবং মানুষকে হত্যা করে। কুলাউড়া ও জুড়ীতে প্রতি বছর ২/৩ জন করে মানুষ হতির আক্রমণে মারা যায়। কুলাউড়ায় প্রায় ২৭টি এবং জুড়ীতে প্রায় ২০টি ব্যক্তি মালিকানাধীন হাতি রয়েছে।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণি বিভাগ) মুহিত চৌধুরী জানান, এই এলাকায় ৩৪ জন হাতির মালিক রয়েছে। হাতি যেন কারো ক্ষতি না করে সে ব্যাপারে তাদেরকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।

রিপন দে/আরএআর/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।