৩০ ডিসেম্বরের পর শেখ হাসিনাকে আমার কাছে চিঠি লিখতে হবে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ০৯:১৫ পিএম, ১৭ নভেম্বর ২০১৮

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, অনেক কথা শুনেছি, শেষ পর্যন্ত রাজাকারের খেতাব পেয়েছি। তাই গত ছয় বছরে আমি শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ ও গণভবনে যাইনি। কিন্তু ৭৫’র প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মিলনমেলার বিষয়ে কথা বলতে গণভবনে যাওয়ার জন্য ৯ বার ফোন করে ব্যর্থ হয়েছি। পরে চিঠিও লিখেছি কিন্তু জবাব পাইনি। আগামী ৩০ ডিসেম্বরের পর ওনাকেই (শেখ হাসিনা) আমার কাছে চিঠি লিখতে হবে।

শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিজ বাসভবনে ভোট ডাকাতি দিবস পালন উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় কাদের সিদ্দিকী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমি নির্বাচন করতে চাই না, সারাদেশ ঘুরে শেখ হাসিনাকে দেখাতে চাই উনি তলাফাটা নৌকা নিয়ে কতদূর যেতে পারেন। তিনি একাই বঙ্গবন্ধুর কন্যা নন আমিও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক পুত্র। আমার গায়ে বঙ্গবন্ধুর রক্ত না থাকলেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রয়েছে।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশে এত বড় কারাগার নেই যেখানে খালেদা জিয়াকে আটকে রাখা যায়। যে টাকা তছরূপ হয়নি সেই দুই কোটি টাকার জন্য যে বিচারক খালেদা জিয়াকে জেলে দিয়েছেন ওই বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা করবো।

বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ঐক্যফ্রন্টের এই নেতা বলেন, আজকের ‘ধানের শীষ’ প্রতীক আপনাদের না; ধানের শীষ এখন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের। যদি আপনারা আমাদের রাখতে পারেন। আমরা যখন চলে যাবো সেদিন আপনাদের প্রতীক হবে। আগামী নির্বাচন অবরুদ্ধ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার নির্বাচন।

স্থানীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আতোয়ার রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মুহাম্মদ মনসুর, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবীবুর রহমান তালুকদার বীরপ্রতীক, জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম সরকার, মীর জুলফিকার শামীম প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালের ১৫ নভেম্বর টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের উপ-নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে প্রতিবছর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ভোট ডাকাতি দিবস পালন করে আসছে।

আরিফ উর রহমান টগর/আরএআর/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :