ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফেনী
প্রকাশিত: ০৮:৩১ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০১৯
প্রতীকী ছবি

জেলার সোনাগাজীতে জমি অধিগ্রহণের টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের। নিহত ব্যক্তির নাম ওমর ফারুক (৪৫)। তিনি উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের চরলামছি গ্রামের ভূঞা বাড়ির মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, সোনাগাজী ও মিরসারাইয়ে বাস্তবায়নাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অর্থনৈতিক অঞ্চলে ওই পরিবারের পৈত্রিক জমির একাংশ অধিগ্রহণ হলে সম্প্রতি কিছু টাকা পাওয়া যায়। গত ক’দিন ধরে টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে ছোট ভাই নুরুল আবসার ও বড় ভাই ওমর ফারুকের মাঝে বিবাদ চলছিল।

নিহত ওমর ফারুকের স্ত্রী মায়া বেগম জানান, বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে টাকার বাটোয়ারা নিয়ে দুই ভাইয়ের মাঝে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে। এসময় আবসার লাঠি দিয়ে ফারুকের মাথায় আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এসময় তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকরা ফেনী অথবা চট্টগ্রামে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ওমরের রক্তাক্ত দেহ ফেনী সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

ফেনী সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মো. রুহুল আমিন জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে বলে তিনি জানান।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল আলম জানান, সোনাগাজীর আমিরাবাদ এলাকার অনেকরই জমি রয়েছে মিরসরাইয়ের ইছাখালি এলাকায়। একইভাবে এ পরিবারেরও জমি রয়েছে ওই এলাকায়। পারিবারিক বিরোধের জেরে টাকার ভাগ নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি। স্থানীয়ভাবে কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন ওমর।

সোনাগাজী থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ওই এলাকায় গিয়ে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সন্ধানে তল্লাশি চালায়। তবে সন্ধ্যা ৭টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। ঘটনাটি যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

রাশেদুল হাসান/এমএএস/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।