এমপি আব্দুস শহীদকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৩০ পিএম, ১১ মার্চ ২০১৯

‘নৌকার বিপক্ষে আ.লীগের এমপি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটির প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এর আগে গত ৮ মার্চ অনলাইন নিউজপোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমের দেশজুড়ে বিভাগে সংবাদটি প্রকাশ হয়।

সোমবার জাগো নিউজ কার্যালয়ে মেইলযোগে সংবাদটির প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছেন জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপির ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ইমাম হোসেন সোহেল।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, সংবাদ সম্মেলনের এই সংবাদের প্রতি জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির মাননীয় সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপির দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। সংবাদে তাকে জড়িয়ে একতরফাভাবে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কমলগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণা চালাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুলের সহোদর স্থানীয় এমপি উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ। তিনি সরকারি প্রটোকল ব্যবহার করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে উন্নয়ন কাজের প্রতিশ্রুতিসহ নানাভাবে ছোট ভাইয়ের পক্ষে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণা করছেন।’ এ কথাগুলো মিথ্যা। এর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এমপি শহীদ তার নির্বাচনী এলাকা শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলায় কোনো প্রার্থীর পক্ষে কোথাও প্রচারণায় অংশ নেননি। যা সম্মানিত কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলাবাসী জ্ঞাত আছেন। তিনি (এমপি) তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় অবস্থানও করছেন না কিংবা তার ভাইয়ের পক্ষে কোনো ধরণের নির্বাচনী কর্মকাণ্ডেও অংশ নিচ্ছেন না। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান ও নৌকার বিরুদ্ধে দলের সুবিধাভোগী জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানান অধ্যাপক রফিকুর রহমান। এক্ষেত্রে দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক রফিকুর রহমান সুবিধাভোগী জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মী আখ্যায়িত করে কি বুঝাতে চেয়েছেন তা বোধগম্য নয়। দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের এসব কথা বলে নিজেকেই অসম্মানিত করেছেন। তার এ বক্তব্যের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয় স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কাছ থেকে তিনি নিজেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। তাছাড়া দলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীরা অধ্যাপক রফিকুর রহমানের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় কেনও অংশ নিচ্ছেন না সেটার দায়ভার দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তারই।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : প্রতিবেদনটি কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য অধাপক রফিকুর রহমানের সংবাদ সম্মেলনের ভিত্তিতে করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত বক্তব্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশের রেওয়াজ গণমাধ্যমে বহুল চর্চিত। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত অভিযুক্ত বা অন্যকারও বক্তব্য যুক্ত না করারও রেওয়াজ রয়েছে। প্রতিবেদনের ক্ষেত্রেও একই রেওয়াজ অনুসরণ করা হয়েছে।

গত ৮ মার্চ সকালে অধ্যাপক রফিক এমপি আব্দুস শহীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে রফিকের করা অভিযোগগুলোই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে প্রতিবেদকের মনগড়া কোনো তথ্য উপস্থাপনের সুযোগ নেই।

এমএএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।