‘আল্লাহর হুকুমে আমার ধৈর্য হয়েছে সে কারণে গরম হই না’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত: ১০:০৬ পিএম, ২৭ মে ২০১৯

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান বলেছেন, এক সময়ে নারায়ণগঞ্জের কলঙ্ক ছিল টানবাজার পতিতাপল্লী। বিগত সময়ে আমি যখন এমপি তখন আল্লাহর হুকুমে সেটাকে উচ্ছেদ করি। আর উচ্ছেদের আগে অনেক ঘটনা ঘটেছিল। আমাকে ২০ কোটি টাকার অফারও করেছিলেন আজমীর শরীফের একজন খাদেম। বলা হয়েছিল আমি যদি দুইদিনের জন্য দেশের বাইরে থাকি তাহলে ওই টাকা দেয়া হবে। কিন্তু সেটা আমি করিনি।

সোমবার ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে নাসিম ওসমান মেমোরিয়াল পার্কে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শামীম ওসমান বলেন, গতবারের মত এবারও নারায়ণগঞ্জে বড় ঈদের জামাত করা হবে। মদিনা শরীফের আদলে প্রায় দেড় লাখ স্কয়ার ফিটে এবার জামাত হবে। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনকে আমি বলেছি একটা কমিটি করে দিতে যাতে আগামীতেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে। আমাদের মৃত্যুর পরেও যেন এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

নারায়ণগঞ্জের সাম্প্রতিক ইস্যুতে তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে অনেক চটকদার চটকদার খেলা হয়। আল্লাহর হুকুমে আমার ধৈর্য হয়েছে। সে কারণে হয়তো গরম হই না। এসব খেলায় কিছু হবে না। আমাদের নারায়ণগঞ্জ আমরাই গড়বো। নারায়ণগঞ্জের অশান্তির মূলে কয়েকটি পত্রিকা। এগুলোকে দেখা উচিত। সত্য লিখেন সমস্যা নাই। প্রয়োজনে আমার বিরুদ্ধে লিখেন।

শামীম ওসমান আরও বলেন, ঈদের পর ১৬ জুন থেকেই আমরা কাজ শুরু করবো। কারণ ২০০১ সালের এ ১৬ জুন আমাদের ওপর বোমা হামলা হয়েছিল। ২০ জন মারা যায়। অনেকে পঙ্গু। আমি নিজেও এক্সটেনশন লাইফে আছি। সে কারণেই এদিন থেকেই নারায়ণগঞ্জকে গড়ে তুলতে আমরাই কাজ করবো। সব দলের সঙ্গে বসবো। মাদক, সন্ত্রাস, ঘুষের বিরুদ্ধে কাজ করবো। রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঘুষ নিতে দেখি। এসব রুখতে হবে।

অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফউল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাবু চন্দন শীল, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ রশীদ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, জেলা জজ কোর্টের পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম চেঙ্গিস, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু, ফতুল্লা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল, ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফরিদ আহমেদ লিটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শাহাদাত হোসেন/আরএআর/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :