দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ির পাশে মিলল যুবলীগ কর্মীর লাশ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: ০৯:৪৭ পিএম, ১৩ জুন ২০১৯

নিখোঁজের তিনদিন পর ময়মনসিংহ যুবলীগ কর্মী শফিকুল ইসলাম শপুর (২৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর আকুয়া হাবুন বেপারির মোড় এলাকায় তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত শফিকুল ইসলাম শপু নগরীর বাঁশবাড়ি কলোনির সুরুজ মিয়ার ছেলে।

পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম শপু সাত বছর আগে মাহমুদাকে বিয়ে করেন এবং বাঁশবাড়ি কলোনিতে মায়ের সঙ্গে থাকতেন। তাদের চার বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। গত দুই বছর আগে তিনি আকুয়া হাবুন বেপারির মোড় এলাকার যুবলীগ নেতা আজাদ শেখের (এক বছর আগে প্রতিপক্ষের হাতে নিহত) ছোট বোন আফরোজা শেখ ইতিকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই ইতি শফিকুলকে তার বড় স্ত্রী মাহমুদার কাছে যেতে দিতেন না। তবে মাঝে মধ্যে লুকিয়ে মাহমুদার সঙ্গে দেখা করতেন শফিকুল।

গত ১১ জুন আফরোজা শেখ ইতি তার স্বামী শফিকুল ইসলাম শপু নিখোঁজ হওয়ার কথা উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এতে বলা হয়, ১০ জুন রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে শফিকুল আর বাসায় ফেরেননি।

নিখোঁজের তিনদিন পর বৃহস্পতিবার দুপুরে ইতির বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত ডোবায় শফিকুলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিকে ঘটনার পর থেকে নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী আফরোজা শেখ ইতি ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক।

তবে ইতির ভাবি দিলরুবার (আজাদ শেখের স্ত্রী) দাবি, আজাদ শেখকে যারা হত্যা করেছে, শফিকুল ইসলাম শপুকেও তারাই হত্যা করেছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (চলতি দায়িত্ব) মুনসুর আহমেদ জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এই হত্যাকণ্ড সংঘটিত হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

রকিবুল হাসান রুবেল/এমবিআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]