ট্রলারযোগে নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেন উপমন্ত্রী

উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)
প্রকাশিত: ০৮:৫৪ পিএম, ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে (ট্রলার) নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। সোমবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বংশাই নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।

উপমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলনকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেয়া হবে না। তাদের দলীয় কোনো পরিচয় বিবেচনা করা হবে না। নদীভাঙন কবলিত এলাকার দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে সরকার। ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ডিপিটি, ডাম্পিং এবং নদী ড্রেজিং কার্যক্রম রয়েছে।

উপমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার মির্জাপুরের নদীভাঙন কবলিত এলাকার জন্য ১১৫ কোটি টাকার ডিপিটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এছাড়া ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বংশাই নদীতে ড্রেজিং করা হবে। যে এলাকার অবস্থা বেশি ভাঙন কবলিত সেখানে দ্রুত ডাম্পিং শুরুর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি স্থানীয় এমপি মো. একাব্বর হোসেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী উকিল বিশ্বাস, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মালেক ও সহকারী পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) দিপঙ্কর ঘোষ প্রমুখ।

river-corrsion

এর আগে সকাল ৯টায় মির্জাপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে পৌঁছালে উপমন্ত্রীকে স্বাগত জানান স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. একাব্বর হোসেন, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়।

এরপর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তির মঞ্চে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপমন্ত্রী। সকাল ১০টার দিকে ট্রলারযোগে লতিফপুর ইউনিয়নের যোগিরকোফা, ফতেপুর ই্উনিয়নের থলপাড়া, ফতেপুর, সুতানরি, বানকাটা পারদিঘী এলাকার বংশাই নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।

এস এম এরশাদ/এএম/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]