প্রশ্ন না তুলে পরিসংখ্যান দেখতে বললেন পুলিশ কর্মকর্তা
পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুলিশ তদন্ত করা নিয়ে প্রশ্ন না তুলে সাংবাদিকদের শাস্তি পাওয়া পুলিশ সদস্যদের পরিসংখ্যান দেখতে বললেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন। গতকাল রোববার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রাসেল মিয়া এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন প্রবাসী মো. কবির হোসেন। এ নিয়ে গত শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ‘প্রবাসীর স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে গেলেন পুলিশ কর্মকর্তা’ শিরোনামে জাগো নিউজে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নিয়ে ইমেজ সংকটে পড়েছে জেলা পুলিশ। বিতর্কিত এসব পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অনেকেই।
একটি ডাকাতির ঘটনা নিয়ে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা পুলিশ সদস্যদের এমন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুলিশের তদন্ত করলে তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থাকে- এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একজনকে তো আপনার ট্রাস্ট করতেই হবে। তদন্তের শেষ পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে।
তবে একই প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, স্বচ্ছতা বজায় রেখেই তদন্ত করা হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুলিশ তদন্ত করে সবচেয়ে বেশি পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দফতর থেকে পরিসংখ্যানটা এনে দেখতে পারেন।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রেজাউল কবির, সহকারী পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) আলাউদ্দিন চৌধুরী, ডিআইও-১ (বিশেষ শাখা) ইমতিয়াজ আহম্মেদ ও সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আজিজুল সঞ্চয়/আরএআর/পিআর